ভোলার আদালতের এজলাসে বাদীর বিষপান
ভোলায় একটি নারী নির্যাতন মামলার শুনানিকালে আদালতের আদেশে হতাশ হয়ে এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন মামলার এক বাদী। বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলা জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। বিষপানকারী মোসাম্মত তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাহার উদ্দিনের স্ত্রী এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, তারাভানু তার স্বামী, সতীন এবং সতীনের বাবা-মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানিতে আদালত সতীন ও তার বাবা-মাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের এ আদেশে ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে তারাভানু এজলাসেই বিষপান করেন। ঘটনার পরপরই আদালত প্রাঙ্গণে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ জুনায়েদ হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।বর্তমানে তার শারী
ভোলায় একটি নারী নির্যাতন মামলার শুনানিকালে আদালতের আদেশে হতাশ হয়ে এজলাসেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন মামলার এক বাদী।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলা জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে। বিষপানকারী মোসাম্মত তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাহার উদ্দিনের স্ত্রী এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন জানান, তারাভানু তার স্বামী, সতীন এবং সতীনের বাবা-মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানিতে আদালত সতীন ও তার বাবা-মাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
আদালতের এ আদেশে ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে তারাভানু এজলাসেই বিষপান করেন।
ঘটনার পরপরই আদালত প্রাঙ্গণে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ জুনায়েদ হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। এদিকে আদালতের এজলাসে এ ধরনের ঘটনার পর আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন বলেন, আদালতের মতো স্পর্শকাতর স্থানে কীভাবে বিষ জাতীয় পদার্থ প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানান তিনি। ঘটনাটি আদালত অঙ্গন ও আইনজীবী মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
What's Your Reaction?