ভোলায় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলার সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নিহতের ৭ বছর বয়সী শিশু সন্তান আবিরকেও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাছিমা বেগম ওই এলাকার প্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাছিমা বেগমের স্বামী আল আমিন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত রয়েছেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় নাছিমা তার ছোট ছেলে আবিরকে নিয়ে নিজেদের নির্মাণাধীন বাড়িতে বসবাস করতেন। শুক্রবার গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাছিমা ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয়। শনিবার সকাল ৭টার দিকে প্রতিবেশীরা দীর্ঘক্ষণ তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে নাছিমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পাশে শিশু আবিরকে গুরুতর আহত অবস্থায় কাতরাতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মর
ভোলার সদর উপজেলায় বসতঘরে ঢুকে নাছিমা বেগম (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নিহতের ৭ বছর বয়সী শিশু সন্তান আবিরকেও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাছিমা বেগম ওই এলাকার প্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাছিমা বেগমের স্বামী আল আমিন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত রয়েছেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় নাছিমা তার ছোট ছেলে আবিরকে নিয়ে নিজেদের নির্মাণাধীন বাড়িতে বসবাস করতেন। শুক্রবার গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাছিমা ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই নাছিমার মৃত্যু হয়।
শনিবার সকাল ৭টার দিকে প্রতিবেশীরা দীর্ঘক্ষণ তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে নাছিমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পাশে শিশু আবিরকে গুরুতর আহত অবস্থায় কাতরাতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তবে কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
What's Your Reaction?