ভ্যাপসা গরমে কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের হাতপাখা দিচ্ছে কোচিং সেন্টার

ঢাকায় ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অভিভাবকরা। প্রচণ্ড গরমে তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার বিনামূল্যে হাতপাখা বিতরণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শত শত অভিভাবক কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করছেন। দীর্ঘ সময় রোদ ও গরমে অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতির মুখে পড়েন। এসময় ফোকাস, উদ্ভাস, রেটিনা, মেডিকোসহ কয়েকটি কোচিং সেন্টারের স্বেচ্ছাসেবকদের পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের মাঝে হাতপাখা বিতরণ করতে দেখা যায়। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে পাখা ব্যবহার করে কিছুটা স্বস্তি পান। মতিঝিলে টি অ্যান্ড টি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ আহসান নামে একজন অভিভাবক জাগো নিউজকে বলেন, আজ গরম অনেক বেশি। তিন ঘণ্টা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। কোচিং সেন্টার থেকে হাতপাখা দেওয়ায় অন্তত একটু বাতাস করা যাচ্ছে। এটি ভালো উদ্যোগ। আরেক অভিভাবক সাহেলা বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদে

ভ্যাপসা গরমে কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের হাতপাখা দিচ্ছে কোচিং সেন্টার

ঢাকায় ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অভিভাবকরা। প্রচণ্ড গরমে তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার বিনামূল্যে হাতপাখা বিতরণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শত শত অভিভাবক কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করছেন। দীর্ঘ সময় রোদ ও গরমে অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতির মুখে পড়েন।

এসময় ফোকাস, উদ্ভাস, রেটিনা, মেডিকোসহ কয়েকটি কোচিং সেন্টারের স্বেচ্ছাসেবকদের পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের মাঝে হাতপাখা বিতরণ করতে দেখা যায়। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে পাখা ব্যবহার করে কিছুটা স্বস্তি পান।

jagonews24

মতিঝিলে টি অ্যান্ড টি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ আহসান নামে একজন অভিভাবক জাগো নিউজকে বলেন, আজ গরম অনেক বেশি। তিন ঘণ্টা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। কোচিং সেন্টার থেকে হাতপাখা দেওয়ায় অন্তত একটু বাতাস করা যাচ্ছে। এটি ভালো উদ্যোগ।

আরেক অভিভাবক সাহেলা বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, বাইরে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের কথাও ভাবা উচিত। এই গরমে একটি হাতপাখাও অনেক বড় সহায়তা।

কোচিং সেন্টারের একজন প্রতিনিধি আরজু জানান, পরীক্ষা চলাকালে অভিভাবকদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতেই তাদের এ উদ্যোগ। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কেন্দ্রেই হাতপাখা বিতরণ করা হচ্ছে।

মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে অপেক্ষমান শরিফুল ইসলাম নামে একজন অভিভাবকদের মতে, এমন মানবিক উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। পাশাপাশি পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে অস্থায়ী ছাউনি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং বসার স্থান থাকলে অপেক্ষমাণ অভিভাবকদের দুর্ভোগ আরও কমে আসবে।

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

jagonews24

সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষ পরিদর্শক নিয়োজিত থাকবেন। প্রতিটি কক্ষে কমপক্ষে দুইজন পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা, সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এছাড়া কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও কাঁটাযুক্ত ঘড়ি ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ইএআর/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow