ভ্রমণকালে রোজা পালনের বিধি-বিধান
রমজান মাসে রোজা রাখা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও মুকিম মুসলমানের ওপর ফরজ। তবে, দূরপাল্লার ভ্রমণে স্বাভাবিকভাবে পথের ক্লান্তি, সময়ের অনিয়ম এবং খাবার ও বিশ্রামের অসুবিধার কারণে রোজা রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় শরিয়ত মুসাফিরের রোজার বিধান শিথিল করেছে। নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য মুসাফিরের রোজার বিধান কী, কখন রোজা রাখা উত্তম, কখন না রাখা উত্তম, সফরের মধ্যে রোজা শুরু করলে তা ভাঙার বিধান কী, কিংবা সফর শেষে মুকিম হলে কী করণীয়— ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারি তুলে ধরা হলো। এক : মুসাফিরের জন্য সফরের হালতে রোজা না রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে অস্বাভাবিক কষ্ট না হলে রোজা রাখাই উত্তম। আর অস্বাভাবিক কষ্ট হলে রোজা রাখা মাকরুহ। এ অবস্থায় রোজা না রেখে পরে তা কাজা করে নেবে। আছিম (রাহ.) বলেন, হজরত আনাসকে (রা.) ভ্রমণকালে রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ‘যে রোজা রাখবে না সে অবকাশ গ্রহণ করল। আর যে রোজা রাখল, সে উত্তম কাজ করল।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৬/১৩২) দুই : সফরের হালতে নিয়ত করে রোজা রাখা শুরু করলে তা আর ভাঙ্গা জায়েজ নয়। কেউ ভেঙ্গে ফেললে গোনাহগার হবে। তবে কাফফারা
রমজান মাসে রোজা রাখা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও মুকিম মুসলমানের ওপর ফরজ। তবে, দূরপাল্লার ভ্রমণে স্বাভাবিকভাবে পথের ক্লান্তি, সময়ের অনিয়ম এবং খাবার ও বিশ্রামের অসুবিধার কারণে রোজা রাখা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় শরিয়ত মুসাফিরের রোজার বিধান শিথিল করেছে।
নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য মুসাফিরের রোজার বিধান কী, কখন রোজা রাখা উত্তম, কখন না রাখা উত্তম, সফরের মধ্যে রোজা শুরু করলে তা ভাঙার বিধান কী, কিংবা সফর শেষে মুকিম হলে কী করণীয়— ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারি তুলে ধরা হলো।
এক : মুসাফিরের জন্য সফরের হালতে রোজা না রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে অস্বাভাবিক কষ্ট না হলে রোজা রাখাই উত্তম। আর অস্বাভাবিক কষ্ট হলে রোজা রাখা মাকরুহ। এ অবস্থায় রোজা না রেখে পরে তা কাজা করে নেবে।
আছিম (রাহ.) বলেন, হজরত আনাসকে (রা.) ভ্রমণকালে রোজা রাখার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ‘যে রোজা রাখবে না সে অবকাশ গ্রহণ করল। আর যে রোজা রাখল, সে উত্তম কাজ করল।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৬/১৩২)
দুই : সফরের হালতে নিয়ত করে রোজা রাখা শুরু করলে তা আর ভাঙ্গা জায়েজ নয়। কেউ ভেঙ্গে ফেললে গোনাহগার হবে। তবে কাফফারা আসবে না, শুধু কাজাই যথেষ্ট।
হজরত আনাস (রা.) বলেন, ‘কেউ রোজা রেখে সফরে বের হলে রোজা ভাঙ্গবে না। তবে যদি পিপাসার কারণে প্রাণের আশঙ্কা হয়,তাহলে রোজা ভাঙ্গতে পারবে, পরে তা কাজা করবে।
তিন : মুসাফির সফরের কারণে রোজা রাখেনি, কিন্তু দিন শেষ হওয়ার আগেই মুকিম হয়ে গেল। তাহলে দিনের অবশিষ্ট সময় রমজানের মর্যাদা রক্ষার্থে পানাহার থেকে বিরত থাকবে। তবে পরবর্তী সময়ে এ রোজার কাজা অবশ্যই করতে হবে।
ইবরাহীম নাখায়ি (রাহ.) বলেন, যে মুসাফির রমজানের দিনে (সফরের হালতে) খানা খেয়েছে, সে মুকিম হয়ে গেলে দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৬/২২১)
What's Your Reaction?