মক্তবে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন আটক

পবিত্র মক্তবে কোরআন শেখার জন্য গিয়েছিল সাত বছরের এক শিশু কন্যা। কিন্তু সেখানে শিক্ষা নয়, তার ওপর নেমে আসে লালসার থাবা। মক্তবের অন্য সব শিশুদের ছুটি দিয়ে এক শিশুকে কৌশলে আটকে রেখে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মসজিদের এক মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম হাবিব। এর আগে শুক্রবার বিকেলে সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামতবাগচী আকন্দপাড়া জামে মসজিদের মক্তবে এ ঘটনা ঘটে।আটক ব্যক্তি হলেন, ওই মসজিদের মুয়াজ্জিন মনির হোসেন (২২)। তিনি আকন্দপাড়া গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মক্তবের পাঠ শেষে অন্য সব শিশুদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন মনির। এরপর সাত বছর বয়সী এক শিশুকে কৌশলে ভেতরে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। শিশুটির আচরণ ও ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে স্থানীয়রা দ্রুত মসজিদে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেন।পরে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের

মক্তবে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন আটক

পবিত্র মক্তবে কোরআন শেখার জন্য গিয়েছিল সাত বছরের এক শিশু কন্যা। কিন্তু সেখানে শিক্ষা নয়, তার ওপর নেমে আসে লালসার থাবা। মক্তবের অন্য সব শিশুদের ছুটি দিয়ে এক শিশুকে কৌশলে আটকে রেখে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মসজিদের এক মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।

শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম হাবিব। এর আগে শুক্রবার বিকেলে সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামতবাগচী আকন্দপাড়া জামে মসজিদের মক্তবে এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তি হলেন, ওই মসজিদের মুয়াজ্জিন মনির হোসেন (২২)। তিনি আকন্দপাড়া গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মক্তবের পাঠ শেষে অন্য সব শিশুদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন মনির। এরপর সাত বছর বয়সী এক শিশুকে কৌশলে ভেতরে আটকে রেখে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। শিশুটির আচরণ ও ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে স্থানীয়রা দ্রুত মসজিদে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেন।

পরে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনকে হেফাজতে নিয়ে থানায় যায়।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, "শিশুকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow