মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ
বিস্ফোরক সংকটে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত শেষ হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। খনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও সেবা) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম জানান, আমদানি করা বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে পাথর উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন চালান আসবে এবং পুনরায় উৎপাদন শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। খনি সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহে বিলম্বের কারণে এর আগেও কয়েক দফা পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল। সর্বশেষ ২০২৫ সালে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও খনির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/এএসএম
বিস্ফোরক সংকটে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনিতে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুত শেষ হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।
খনির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও সেবা) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম জানান, আমদানি করা বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে পাথর উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন চালান আসবে এবং পুনরায় উৎপাদন শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে।
খনি সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহে বিলম্বের কারণে এর আগেও কয়েক দফা পাথর উত্তোলন বন্ধ ছিল। সর্বশেষ ২০২৫ সালে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হয়।
এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও খনির নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
এমদাদুল হক মিলন/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?