মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করায় মার্কিন নৌবাহিনী সেখানে অতিরিক্ত একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে বলে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় (২৯ জানুয়ারি) রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। নাম না প্রকাশের শর্তে কথা বলা ওই কর্মকর্তা জানান, গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ‘ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক’ নামের যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এর ফলে বর্তমানে অঞ্চলটিতে ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ও আরও তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ অবস্থান করছে। অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবরটি প্রথম প্রকাশ করে সিবিএস নিউজ। যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অবস্থান বাড়ানোকে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা ও অঞ্চলজুড়ে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশ গড়ে তুলেছে। অতিরিক্ত নৌবহর, যুদ্ধবিমান ও সহায়ক সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে ইরানের আশপাশে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্ভাব্য সংঘ

মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠালো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করায় মার্কিন নৌবাহিনী সেখানে অতিরিক্ত একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে বলে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় (২৯ জানুয়ারি) রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।

নাম না প্রকাশের শর্তে কথা বলা ওই কর্মকর্তা জানান, গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ‘ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক’ নামের যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। এর ফলে বর্তমানে অঞ্চলটিতে ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ও আরও তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ অবস্থান করছে।

অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবরটি প্রথম প্রকাশ করে সিবিএস নিউজ।

যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অবস্থান বাড়ানোকে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা ও অঞ্চলজুড়ে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশের ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারপাশে বড় ধরনের সামরিক সমাবেশ গড়ে তুলেছে। অতিরিক্ত নৌবহর, যুদ্ধবিমান ও সহায়ক সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে ইরানের আশপাশে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে এবং তেহরান থেকে এ নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তাও এসেছে।

 

সূত্র: রয়টার্স

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow