মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন পোপ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিয়ে প্রকাশ করেছেন পোপ লিও। তিনি ইরান যুদ্ধে ভয়াবহ সহিংসতার নিন্দা করে অবিলম্বের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (১৫ মার্চ) ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটারস স্কয়ারে সাপ্তাহিক প্রার্থনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের। পোপ বলেন, এই সংঘাতে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং আরও অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সহিংসতা কখনোই মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা বা শান্তি আনতে পারে না। পোপ সংঘাতের সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর প্রতি যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ ও ধ্বংস কেবল আরও কষ্ট বাড়ায়। এখনই অস্ত্রবিরতি ও সংলাপের পথে ফিরতে হবে। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ভবিষ্যতে আর হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং যুদ্ধের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত সংঘাতের অবসান হবে না। আরবি সংবাদপত্র আরাবি আল জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হওয়া হামলার তদন্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনে তেহরান প্
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিয়ে প্রকাশ করেছেন পোপ লিও। তিনি ইরান যুদ্ধে ভয়াবহ সহিংসতার নিন্দা করে অবিলম্বের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটারস স্কয়ারে সাপ্তাহিক প্রার্থনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।
পোপ বলেন, এই সংঘাতে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং আরও অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সহিংসতা কখনোই মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা বা শান্তি আনতে পারে না।
পোপ সংঘাতের সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর প্রতি যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ ও ধ্বংস কেবল আরও কষ্ট বাড়ায়। এখনই অস্ত্রবিরতি ও সংলাপের পথে ফিরতে হবে।
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ভবিষ্যতে আর হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং যুদ্ধের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত সংঘাতের অবসান হবে না। আরবি সংবাদপত্র আরাবি আল জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হওয়া হামলার তদন্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনে তেহরান প্রস্তুত।
আরাঘচি জানান, ইরানের সামরিক অভিযান কেবলমাত্র অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর কোনো বেসামরিক বা আবাসিক এলাকায় ইরান হামলা চালায়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার পেছনে ইসরায়েল থাকতে পারে।
আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শাহেদ ড্রোনের মতো লুকাস নামের একটি ড্রোন তৈরি করেছে। এই ড্রোন ব্যবহার করে আরব দেশগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তাহলে তেহরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে অঞ্চলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর স্থাপনায় আঘাত হানবে।
What's Your Reaction?