মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে ৩ হাজার মেরিন সেনা মোতায়েন করল যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনা নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় মোতায়েন রাখা হয়েছে। বলা হচ্ছে, নির্দেশ পাওয়া মাত্রই অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত এসব মেরিন সেনা।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শনিবার (২৮ মার্চ) জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি উভচর আক্রমণকারী যুদ্ধজাহাজে করে মধ্যপ্রাচ্যে এসব সেনা আনা হয়। শুক্রবার তাদের ‘অপারেশন এরিয়াতে’ ইউএসএস ত্রিপোলী পৌঁছেছে। এছাড়া যুদ্ধ জাহাজটিতে করে এসেছে পরিবহন বিমান ও কৌশলগত আক্রমণকারী বিমান ও যুদ্ধবিমান। এসব বিমান অতি স্বল্প সময়ে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সেনার সমাগম ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে মেরিনসহ দেশটির প্রায় ৫০ হাজার সেনা এ অঞ্চলটিতে অবস্থান করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাদের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের এক হাজার সেনাকেও মধ্যপ্রাচ্যে আনার পরিকল্পনা করেছিল। এদিকে শোনা যাচ্ছে, এবার আকাশ ও নৌপথের পাশাপাশি দেশটিতে স্থল হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া।

মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে ৩ হাজার মেরিন সেনা মোতায়েন করল যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনা নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় মোতায়েন রাখা হয়েছে। বলা হচ্ছে, নির্দেশ পাওয়া মাত্রই অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত এসব মেরিন সেনা।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শনিবার (২৮ মার্চ) জানিয়েছে, ইউএসএস ত্রিপোলি উভচর আক্রমণকারী যুদ্ধজাহাজে করে মধ্যপ্রাচ্যে এসব সেনা আনা হয়। শুক্রবার তাদের ‘অপারেশন এরিয়াতে’ ইউএসএস ত্রিপোলী পৌঁছেছে। এছাড়া যুদ্ধ জাহাজটিতে করে এসেছে পরিবহন বিমান ও কৌশলগত আক্রমণকারী বিমান ও যুদ্ধবিমান। এসব বিমান অতি স্বল্প সময়ে যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সেনার সমাগম ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে মেরিনসহ দেশটির প্রায় ৫০ হাজার সেনা এ অঞ্চলটিতে অবস্থান করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র তাদের ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের এক হাজার সেনাকেও মধ্যপ্রাচ্যে আনার পরিকল্পনা করেছিল। এদিকে শোনা যাচ্ছে, এবার আকাশ ও নৌপথের পাশাপাশি দেশটিতে স্থল হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা অনুমোদন করবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট রোববার (২৯ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow