মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে এবার বড় বিপাকে ভারত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতের বাজারে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ খুবই বিপাকে পড়েছে। এখন চাহিদার অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে তাদের গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বিকল্প কিছু চিন্তা করতে পারছেন না তারা। বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে সেখানেও বিল নিয়ে অস্বস্তিতে পরতে হচ্ছে তাদের। তাই বিকল্প হিসেবে অনেকেই কাঠের চুলায় রান্না শুরু করেছেন। শনিবার (৭ মার্চ) থেকে পশ্চিমবঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চাপ বেড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। কলকাতায় প্রতি সিলিন্ডারে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬০ থেকে ১১৪ রুপি। এর আগে কলকাতায় ১৪ কেজি সিলিন্ডারের গ্যাসের দাম ছিল ৮৭৯ রুপি। সেই দাম বেড়ে এখন ৯৩৯ রুপি হয়েছে। ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে গ্যাসের দাম ছিল ১ হাজার ৮৭৬ রুপি, যা ১১৪ রুপি বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৯০ রুপি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে আর মাত্র চার থেকে পাঁচ দিনের মজুত রয়েছে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের হাতে। এ বিষয়ে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিজনবিহারী বিশ্বাস একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আপাতত বড় কাস্টমারদের সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে না। যারা বড় সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাদের আপাতত সাপ্লাই রেস্ট্রিকশন
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে ভারতের বাজারে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ খুবই বিপাকে পড়েছে। এখন চাহিদার অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে তাদের গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বিকল্প কিছু চিন্তা করতে পারছেন না তারা। বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে সেখানেও বিল নিয়ে অস্বস্তিতে পরতে হচ্ছে তাদের। তাই বিকল্প হিসেবে অনেকেই কাঠের চুলায় রান্না শুরু করেছেন।
শনিবার (৭ মার্চ) থেকে পশ্চিমবঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চাপ বেড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। কলকাতায় প্রতি সিলিন্ডারে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬০ থেকে ১১৪ রুপি।
এর আগে কলকাতায় ১৪ কেজি সিলিন্ডারের গ্যাসের দাম ছিল ৮৭৯ রুপি। সেই দাম বেড়ে এখন ৯৩৯ রুপি হয়েছে। ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে গ্যাসের দাম ছিল ১ হাজার ৮৭৬ রুপি, যা ১১৪ রুপি বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৯০ রুপি। আশঙ্কা করা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে আর মাত্র চার থেকে পাঁচ দিনের মজুত রয়েছে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের হাতে।
এ বিষয়ে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিজনবিহারী বিশ্বাস একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আপাতত বড় কাস্টমারদের সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে না। যারা বড় সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাদের আপাতত সাপ্লাই রেস্ট্রিকশন করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যারা ১৯ কেজির সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রেও ধীরে ধীরে একই নিয়ম প্রয়োগ করা হবে। কাস্টমারদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেদিকেই আপাতত লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
যুদ্ধ অবিলম্বে না থামলে গ্যাসের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে বিকল্প হিসেবে অনেকেই কাঠের চুলায় রান্না শুরু করেছেন।
এ বিষয়ে কলকাতার এক গৃহবধূ জানান, গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের সাধারণ ঘরে খুবই অসুবিধা হচ্ছে। এখন প্রায় হাজার রুপি দিয়ে গ্যাস কিনতে হবে। বিকল্প কিছু চিন্তা করতে পারছি না। বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে সেখানেও বিল বেশি আসবে। যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি আমাদের রান্নাঘরে পড়ছে।
What's Your Reaction?