মনোরেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত করা হবে: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা গেলে আগামী বছরই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হতে পারে। সেক্ষেত্রে দেশের প্রথম মনোরেল চালু হতে পারে চট্টগ্রামে। শনিবার (৬ জুন) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রেস্ট হাউসে নগরের গণপরিবহন ব্যবস্থা ও মনোরেল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। সভায় মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও দীর্ঘদিন ধরে যানজট নগরীর উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম বড় বাধা হয়ে আছে। প্রতিদিন কর্মঘণ্টার অপচয়, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং জনভোগান্তির কারণে নগরবাসী ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ বাস্তবতায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মনোরেল চালু হলে নগরবাসী দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহনসেবা পা

মনোরেলের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে যানজটমুক্ত করা হবে: চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা গেলে আগামী বছরই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হতে পারে। সেক্ষেত্রে দেশের প্রথম মনোরেল চালু হতে পারে চট্টগ্রামে।

শনিবার (৬ জুন) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রেস্ট হাউসে নগরের গণপরিবহন ব্যবস্থা ও মনোরেল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

সভায় মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও দীর্ঘদিন ধরে যানজট নগরীর উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম বড় বাধা হয়ে আছে। প্রতিদিন কর্মঘণ্টার অপচয়, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং জনভোগান্তির কারণে নগরবাসী ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ বাস্তবতায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মনোরেল চালু হলে নগরবাসী দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহনসেবা পাবেন। একই সঙ্গে সড়কের ওপর চাপ কমবে এবং যানজট উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, ৫ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ডিটিসিএর একটি দল চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করছে। বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রকল্পের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

সভায় গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের সভাপতি আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, সীমিত সড়ক অবকাঠামো এবং ঘনবসতির কারণে মেট্রোরেলের তুলনায় মনোরেল অধিক বাস্তবসম্মত ও ব্যয়-সাশ্রয়ী সমাধান হতে পারে। তার মতে, মনোরেল চালু হলে নগরের যোগাযোগব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিও বাড়বে।

সভায় ডিটিসিএ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow