মনোহরগঞ্জে জ্বালানি তেলের সংকট
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। হঠাৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন খাতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। জ্বালানি তেল না পেয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকদের মাঝে হাহাকার বিরাজ করছে। জানা গেছে, রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে মনোহরগঞ্জের বাজারগুলোতে অকটেন, পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা দোকানগুলোতে না পেয়ে চালকরা ছুটছেন ১০/১৫ কিলোমিটার দূরে চিতোষী, খিলা ও লাকসাম উপজেলার স্টেশনে। সেখানেও পেট্রোল বা অকটেন মজুত নেই। ফলে বাধ্য হয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল চালকরা জানান, রোববার সকাল থেকে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে শনিবার ঈদের দিন অল্প পরিমাণে তেল পাওয়া গেলেও লিটার প্রতি দেড় শতাধিক টাকায় বিক্রির অভিযোগ করেছেন তারা। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে উপজেলাজুড়ে পরিবহন চলাচল আংশিকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মো. শাহ আলম নামের একজন বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় কোনো পেট্রোল পাম্প নেই, আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে তেল সংগ্রহ করতে হয়। মনোহরগঞ্জের খুচরা তেলের ডিলাররা পাশের চিতোষী ও লা
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। হঠাৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন খাতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। জ্বালানি তেল না পেয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন পরিবহনের চালকদের মাঝে হাহাকার বিরাজ করছে।
জানা গেছে, রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে মনোহরগঞ্জের বাজারগুলোতে অকটেন, পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা দোকানগুলোতে না পেয়ে চালকরা ছুটছেন ১০/১৫ কিলোমিটার দূরে চিতোষী, খিলা ও লাকসাম উপজেলার স্টেশনে। সেখানেও পেট্রোল বা অকটেন মজুত নেই। ফলে বাধ্য হয়ে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে।
মোটরসাইকেল চালকরা জানান, রোববার সকাল থেকে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে শনিবার ঈদের দিন অল্প পরিমাণে তেল পাওয়া গেলেও লিটার প্রতি দেড় শতাধিক টাকায় বিক্রির অভিযোগ করেছেন তারা। জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে উপজেলাজুড়ে পরিবহন চলাচল আংশিকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মো. শাহ আলম নামের একজন বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় কোনো পেট্রোল পাম্প নেই, আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে তেল সংগ্রহ করতে হয়। মনোহরগঞ্জের খুচরা তেলের ডিলাররা পাশের চিতোষী ও লাকসাম উপজেলায় স্টেশনে গিয়ে চাহিদানুযায়ী তেল ড্রাম ভর্তি করে নিয়ে আসেন।
অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, চিতোষীর একটি দোকানে অকটেন পাওয়া গেলেও লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।
মোটরসাইকেল চালক আনোয়ার হোসেন রিপন চৌধুরী বলেন, প্রতি ঈদে মোটরসাইকেল দিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করি। এ বছর তেলের সংকটের কারণে তেমন কোথাও ঘুরতে পারিনি। ঈদের আনন্দ ভালো করে উপভোগ করতে পারিনি। মনোহরগঞ্জ উপজেলা অকটেন ও পেট্রোল চালিত অনেক গাড়ি বন্ধ হয়ে আছে তেল সংকটের কারণে।
মেসার্স এম আর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার অমূল্য চন্দ্র দাস বলেন, মজুত শেষ হওয়ার কারণে পেট্রোল/অকটেন সরবরাহ আপাতত বন্ধ রয়েছে। আশা করছি বিকেলের মধ্যে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করা হবে। মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে।
What's Your Reaction?