মমেক হাসপাতালে ৫০ ছুঁলো হাম উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১৯ শিশু ভর্তি হওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ জন। শনিবার (১৩ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া শিশুটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায়। তার বয়স ছিল ১০ মাস। গত ২ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে মমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। হামের উপসর্গের পাশাপাশি শিশুটি নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিল। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সংক্রমণজনিত মারাত্মক শক, নিউমোনিয়া এবং বাম পাশের ফুসফুসের আবরণী (প্লুরা) এলাকায় অস্বাভাবিক তরল জমে যাওয়ার জটিলতায় তার মৃত্যু হয়। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ১৩ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৬২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১৯ শিশু ভর্তি হওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০০ জন।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া শিশুটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায়। তার বয়স ছিল ১০ মাস। গত ২ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে মমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। হামের উপসর্গের পাশাপাশি শিশুটি নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিল।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সংক্রমণজনিত মারাত্মক শক, নিউমোনিয়া এবং বাম পাশের ফুসফুসের আবরণী (প্লুরা) এলাকায় অস্বাভাবিক তরল জমে যাওয়ার জটিলতায় তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ১৩ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৬২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৯১২ জন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে ১০০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনটি বিশেষ মেডিকেল টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।
হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
হোসাইন সুলভ/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?