মসজিদের খাদেমকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজসিক বিদায়

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ২০ বছর কর্মজীবন শেষে মো. মুসলিম (৭০) নামে মসজিদের এক খাদেমকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে রাজসিক বিদায় দেওয়া হয়েছে। এসময় তাকে উপহার হিসেবে ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে নতুন পোশাক পরিহিত খাদেমকে সাজানো গোড়ার গাড়িতে ছড়িয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মুসলিম রায়পুর পৌর শহরের মৌলভি ইব্রাহীম সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা ও উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় জামে মসজিদের খাদেম ছিলেন। বিদায়ের মুহূর্তে মুসলিম আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মসজিদের খতিব, ইমাম ও কমিটির সদস্যদের চোখেও ছিল অশ্রু। দীর্ঘদিনের সখ্য আর ভালোবাসা যেন জমাট বেঁধে বিদায়ের সময়। খাদেম মো. মুসলিম বলেন, দায়িত্বপালনে কখনো ত্রুটি ছিল না। মসজিদকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করেছি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন কাজ করতে পারছি না, এজন্য বিদায় নিতে হয়েছে। মসজিদ কমিটি আমাকে সম্মান দেখিয়েছেন। মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আরিফ হোসাইন মিয়াজী বলেন, মুসলিম ২০ বছর ধরে এ মসজিদে খাদেম হিসেবে কাজ করেছেন। সবসময় মসজিদকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখেছেন তিনি। এখন তার বয়স হয়েছে, শারীরিক সক্ষমতাও অনেকটা কমে গেছে। এজন্য তিনি অবসরে গেছেন।

মসজিদের খাদেমকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজসিক বিদায়

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ২০ বছর কর্মজীবন শেষে মো. মুসলিম (৭০) নামে মসজিদের এক খাদেমকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে রাজসিক বিদায় দেওয়া হয়েছে। এসময় তাকে উপহার হিসেবে ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে নতুন পোশাক পরিহিত খাদেমকে সাজানো গোড়ার গাড়িতে ছড়িয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

মুসলিম রায়পুর পৌর শহরের মৌলভি ইব্রাহীম সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা ও উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় জামে মসজিদের খাদেম ছিলেন। বিদায়ের মুহূর্তে মুসলিম আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মসজিদের খতিব, ইমাম ও কমিটির সদস্যদের চোখেও ছিল অশ্রু। দীর্ঘদিনের সখ্য আর ভালোবাসা যেন জমাট বেঁধে বিদায়ের সময়।

খাদেম মো. মুসলিম বলেন, দায়িত্বপালনে কখনো ত্রুটি ছিল না। মসজিদকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করেছি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন কাজ করতে পারছি না, এজন্য বিদায় নিতে হয়েছে। মসজিদ কমিটি আমাকে সম্মান দেখিয়েছেন।

মসজিদের খাদেমকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজসিক বিদায়

মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি আরিফ হোসাইন মিয়াজী বলেন, মুসলিম ২০ বছর ধরে এ মসজিদে খাদেম হিসেবে কাজ করেছেন। সবসময় মসজিদকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখেছেন তিনি। এখন তার বয়স হয়েছে, শারীরিক সক্ষমতাও অনেকটা কমে গেছে। এজন্য তিনি অবসরে গেছেন। তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং সবার প্রিয় ছিলেন।

মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি এনামুল হক বলেন, চেষ্টা করেছি মুসলিমকে একটি সুন্দর ও সম্মানজনক বিদায় দিতে। এজন্য পাশের জেলা চাঁদপুর থেকে ঘোড়ার গাড়ি ভাড়া করে আনা হয়েছে। পাশাপাশি তার হাতে নগদ ২ লাখ টাকা সম্মানী তুলে দিয়েছি। মসজিদ কমিটি সবসময় তার পাশে থাকবে।

কাজল কায়েস/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow