মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন চান হানজালা

হযরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি বা অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা ও মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। বক্তব্যের শুরুতে আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়াতুল্লাহর স্মৃতি চারণ করে বলেন, আমি যে আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি, সেই আসনে বাংলার এক নক্ষত্রের জন্ম হয়েছে। হাজী শরীয়াতুল্লাহ এই দেশকে অন্যায়-অবিচার মুক্ত করার জন্য আন্দোলন করেছিলেন। তার শুরু করা সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আমরা ১৯৪৭ পেয়েছি, আর ১৯৪৭ পাওয়ার কারণেই ১৯৭১ পেয়েছি। তার বংশের সন্তান হিসেবে আল্লাহ আমাকেও সত্য বলার তৌফিক দিয়েছেন। সংসদ সদস্য হানজালা বলেন, বাংলার ৩০ থেকে ৪০ লাখ ওলামায়ে কেরাম আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। আমরা বারবার দেখছি, কিছুদিন পর পর নবী করিম (সা.)-এর শানে কটূক্তি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই দেশের ৯২ ভাগ মানুষ মুসলমান। একজ

মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তির দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আইন চান হানজালা

হযরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি বা অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা ও মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান।

বক্তব্যের শুরুতে আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়াতুল্লাহর স্মৃতি চারণ করে বলেন, আমি যে আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি, সেই আসনে বাংলার এক নক্ষত্রের জন্ম হয়েছে। হাজী শরীয়াতুল্লাহ এই দেশকে অন্যায়-অবিচার মুক্ত করার জন্য আন্দোলন করেছিলেন। তার শুরু করা সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আমরা ১৯৪৭ পেয়েছি, আর ১৯৪৭ পাওয়ার কারণেই ১৯৭১ পেয়েছি। তার বংশের সন্তান হিসেবে আল্লাহ আমাকেও সত্য বলার তৌফিক দিয়েছেন।

সংসদ সদস্য হানজালা বলেন, বাংলার ৩০ থেকে ৪০ লাখ ওলামায়ে কেরাম আমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। আমরা বারবার দেখছি, কিছুদিন পর পর নবী করিম (সা.)-এর শানে কটূক্তি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই দেশের ৯২ ভাগ মানুষ মুসলমান। একজন সাধারণ মুসলমান নামাজ না পড়লেও নবীর অবমাননা সইতে পারে না, তার কলিজা ছিঁড়ে যায় এবং সে রাজপথে নেমে আসে।

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা নবীকে অস্বীকার করে বা গালিগালাজ করে, তারা মুসলমান থাকতে পারে না। আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করে যান। যারা নবীকে নিয়ে কটূক্তি করবে, তাদের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে এই সংসদ থেকেই আইন পাস করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা শেষ নবীকে অস্বীকার করে অথচ মুসলমান পরিচয় দেয়, আইনের মাধ্যমে পার্লামেন্ট থেকে ঘোষণা দিতে হবে যে তারা অমুসলিম। এই দাবি আদায় করতে গিয়ে রাজপথে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বক্তব্যের শেষে তিনি নিজ এলাকার ভোটারদের দাবির কথা উল্লেখ করে ‘হাদি হত্যা’র বিচার নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোকপাত করেন।

এমওএস/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow