মহাসড়ক অবরোধ করে ক্রিকেট খেলছেন স্থানীয়রা, ভোগান্তিতে ঈদ যাত্রীরা
জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এসময় আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে মহাসড়কের ওপর ক্রিকেট খেলতেও দেখা যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা। সোমবার (২৫ মে) দুপুর ১২টা থেকে জামালপুর বাসস্টেশন এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। অবরোধের কারণে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ও ঢাকাগামী শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। অনেক যাত্রীকে শিশু ও লাগেজ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে দড়িপাড়া, দাপুনিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার। শত শত একর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও স্থানীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর আগে রোববার (২৪ মে) একই দাবিতে বিসিক কার্যালয়ের সামনে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন এলাকাবাসী। পরে পৌরসভার কর্মকর্তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। তবে একদিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু না হ
জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এসময় আন্দোলনকারীদের কয়েকজনকে মহাসড়কের ওপর ক্রিকেট খেলতেও দেখা যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা।
সোমবার (২৫ মে) দুপুর ১২টা থেকে জামালপুর বাসস্টেশন এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।
অবরোধের কারণে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ও ঢাকাগামী শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। অনেক যাত্রীকে শিশু ও লাগেজ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে দড়িপাড়া, দাপুনিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার। শত শত একর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও স্থানীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে রোববার (২৪ মে) একই দাবিতে বিসিক কার্যালয়ের সামনে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন এলাকাবাসী। পরে পৌরসভার কর্মকর্তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। তবে একদিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে আবারও সড়কে নামেন তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, শুধু আশ্বাসে আর বিশ্বাস নেই। দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি তারা। দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, জলাবদ্ধতার সমস্যাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। এলাকাবাসী কিছুটা উত্তেজিত অবস্থায় রয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ করা হচ্ছে।
হৃদয় আহম্মেদ/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?