মাইনী নদীর ভাঙনে বিলীন বসতভিটা

রাঙ্গামাটির লংগদু টানা ভারী বর্ষণ ও মাইনী নদীর পানির স্রোতে ভেঙে গেছে বসতঘর। উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের উত্তর ইয়ারংছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী সমির আলী। বুধবার (১৭ জুন) সকালে পানির তোড়ে সমির আলীর বসতঘরটির নিচের মাটি সম্পূর্ণ সরে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটি ভেঙে নদীর স্রোতে ভেসে যায়। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে ঘরের আসবাবপত্র ও অন্য কোনো মালামালই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা ও স্রোত ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তীব্র এই স্রোতের কারণে উত্তর ইয়ারংছড়ি এলাকার নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দেয়। গত বছর মাইনী খালের খনন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তখনই বসতভিটার অনেক মাটি কাটা পড়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত সমির আলী। তিনি তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার বসতভিটা নদী থেকে প্রায় ১৫০ ফুট দূরত্বে ছিল। যা নদী খননের সময় ঝুঁকিতে পড়ে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে নদীর পানির স্রোতে আমার ঘরবাড়িসহ পুরো বসতভিটা ধসে যায়। বসবাসের আর কোনো ঠাঁই নাই। আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। মাথা গোঁজার এ

মাইনী নদীর ভাঙনে বিলীন বসতভিটা

রাঙ্গামাটির লংগদু টানা ভারী বর্ষণ ও মাইনী নদীর পানির স্রোতে ভেঙে গেছে বসতঘর। উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের উত্তর ইয়ারংছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী সমির আলী।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে পানির তোড়ে সমির আলীর বসতঘরটির নিচের মাটি সম্পূর্ণ সরে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটি ভেঙে নদীর স্রোতে ভেসে যায়। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে ঘরের আসবাবপত্র ও অন্য কোনো মালামালই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা ও স্রোত ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তীব্র এই স্রোতের কারণে উত্তর ইয়ারংছড়ি এলাকার নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দেয়।

গত বছর মাইনী খালের খনন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তখনই বসতভিটার অনেক মাটি কাটা পড়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত সমির আলী। তিনি তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার বসতভিটা নদী থেকে প্রায় ১৫০ ফুট দূরত্বে ছিল। যা নদী খননের সময় ঝুঁকিতে পড়ে। গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে নদীর পানির স্রোতে আমার ঘরবাড়িসহ পুরো বসতভিটা ধসে যায়। বসবাসের আর কোনো ঠাঁই নাই। আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এখন সম্পূর্ণ দিশেহারা।

এ বিষয়ে আটারকছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অজয় মিত্র চাকমা বলেন, ‘আজই জানতে পেরেছি নদী ভাঙনে একজনের বসতভিটা ধসে গেছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিষদের পক্ষ হতে তাকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।’

আবু দারদা খান আরমান/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow