মাউশিতে আসছে নতুন ডিজি, ১০ আগস্টের পর ‘রদবদল’
বদলি ও পদায়নে অনিয়মসহ নানা অভিযোগের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) পদ হারাচ্ছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আগামী ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বর্তমান ডিজির স্থলে শিক্ষা ক্যাডারের একজন নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনায় মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়টি শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েও দিয়েছেন। এখন শুধু রদবদলের আনুষ্ঠানিকতা বাকি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে সরিয়ে দেওয়া হলে আপাতত ডিজির চেয়ারে বসতে পারেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক মো. নাজমুল হক। বর্তমানে তিনি মাউশির কলেজ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক
বদলি ও পদায়নে অনিয়মসহ নানা অভিযোগের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) পদ হারাচ্ছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আগামী ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বর্তমান ডিজির স্থলে শিক্ষা ক্যাডারের একজন নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুজন কর্মকর্তা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনায় মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়টি শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েও দিয়েছেন। এখন শুধু রদবদলের আনুষ্ঠানিকতা বাকি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে সরিয়ে দেওয়া হলে আপাতত ডিজির চেয়ারে বসতে পারেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক মো. নাজমুল হক। বর্তমানে তিনি মাউশির কলেজ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক পদে দায়িত্বে রয়েছেন।
যদিও শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এ বিষয়ে গণমাধ্যমে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। সচিবের ভাষ্য, ‘কোনো অর্ডার হলে তো প্রকাশ্যেই হবে। তখন জানতে পারবেন।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে বৃহস্পতিবার বিকেল অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার সমিতির আহ্বায়ক। তিনি বিসিএস ১৬তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের এপিএস ছিলেন তিনি।
শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা জানান, ড. এহছানুল হক মিলনের এপিএস থাকায় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে পদ-পদবি ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন তিনি। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অধ্যাপক সোহেলকে মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক পদে পদায়ন করা হয়।
এরপর থেকে শিক্ষা প্রশাসনে দাপুটে ভূমিকায় এ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা। বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে তিনি মাউশির ডিজির চেয়ারে বসেন। প্রথমে তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং পরে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?