মাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ভাড়াটিয়াকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ ভাই

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মো. রুবেল (৩৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই ২০২৬ সকালে নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মো. রুবেলকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গত ৫ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) এবং ইমরাজ (১৮)।এ ঘটনায় নিহত রুবেলের পিতা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে বাড়িওয়ালাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা

মাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ভাড়াটিয়াকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ ভাই

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মো. রুবেল (৩৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই ২০২৬ সকালে নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় মো. রুবেলকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গত ৫ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) এবং ইমরাজ (১৮)।

এ ঘটনায় নিহত রুবেলের পিতা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে বাড়িওয়ালাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১৮, তারিখ ৬ জুলাই ২০২৬; ধারা ৩২০/৩৪, পেনাল কোড। মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক।

গ্রেপ্তারের পর আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আসামি জনি (২৮) হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে গ্রেপ্তারকৃত চার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাদের মধ্যে জনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত এবং জনির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে নিহত রুবেল ময়মনসিংহ নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনির আর.কে. মিশন রোডে পারুলের বাসায় একটি কক্ষ ভাড়া নেন। পরবর্তীতে বাসার মালিক ও তার পরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলা হয়। ঘটনার দিন ভোরে রুবেলের সঙ্গে পারুলের বাকবিতণ্ডা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় রুবেল পারুলকে শ্লীলতাহানি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে পারুলের চার ছেলে ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে রুবেলের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে।

পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow