মাগুরায় সেলুনে সিরিয়াল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

মাগুরা সদরে সেলুনে চুল কাটানোর সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সদরের আঠারোখাদা ইউনিয়নের গাংনালিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে গাংনালিয়া বাজারে জুয়েল নামে এক যুবক আগে থেকেই সেলুনে চুল কাটার জন্য সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর সোহাগ নামে আরেক যুবক এসে জরুরি কাজের কথা জানিয়ে আগে চুল কাটার অনুরোধ করেন।  এ সময় সেলুন মাস্টার (নাপিত) জানিয়ে দেন, আগে আসায় জুয়েলের সিরিয়ালই আগে। পরে জুয়েলকে অনুরোধ করা হলেও তিনি সিরিয়াল ছাড়তে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন। আহতরা হলেন- লুৎফর শেখ, সোহাগ, উকিল মোল্লা, কাদের মোল্লা, জুয়েল মোল্লা ও আরাফাত। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাগুরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মামুন-উর-রশীদ জানান, দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার বরিষাট গ্রাম থেকে ৫ জন হাসপাতালে এসেছিল। লুতফর নামে একজন

মাগুরায় সেলুনে সিরিয়াল নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

মাগুরা সদরে সেলুনে চুল কাটানোর সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সদরের আঠারোখাদা ইউনিয়নের গাংনালিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে গাংনালিয়া বাজারে জুয়েল নামে এক যুবক আগে থেকেই সেলুনে চুল কাটার জন্য সিরিয়াল দিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর সোহাগ নামে আরেক যুবক এসে জরুরি কাজের কথা জানিয়ে আগে চুল কাটার অনুরোধ করেন। 

এ সময় সেলুন মাস্টার (নাপিত) জানিয়ে দেন, আগে আসায় জুয়েলের সিরিয়ালই আগে। পরে জুয়েলকে অনুরোধ করা হলেও তিনি সিরিয়াল ছাড়তে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন।

আহতরা হলেন- লুৎফর শেখ, সোহাগ, উকিল মোল্লা, কাদের মোল্লা, জুয়েল মোল্লা ও আরাফাত। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাগুরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মামুন-উর-রশীদ জানান, দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার বরিষাট গ্রাম থেকে ৫ জন হাসপাতালে এসেছিল। লুতফর নামে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ফরিদপুরে রেফার করা হয়েছে। বাকি চারজন হাসপাতালে ভর্তি আছে। তারা আশঙ্কা মুক্ত।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow