মাছ ধরার বিষে মারা পড়ল তিন শতাধিক হাঁস
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পুকুরে মাছ নিধনের জন্য বিষ প্রয়োগ করায় মো. শামসু মোল্লা নামে এক কৃষকের ৩ শতাধিক ক্যাম্বেল জাতের হাঁস মারা গেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মো. সাত্তার (৬০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত শামসু মোল্লা গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মান্নান ওরফে ঠান্ডুর লিজ নেওয়া মরা পদ্মার জলাশয়ে রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাছ ধরতে বিষ প্রয়োগ করেন কর্মচারী সাত্তার। কিন্তু পাশেই শামসু মোল্লার একটি হাঁসের খামার রয়েছে। রাতে মাছ নিধনে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করলে হাঁসের খামারের মালিককে জানানো হয়নি। মাছ ধরার বিষয়ে কোনো অবগত না করায় প্রতিদিনের মতো সকালে হাঁস ছেড়ে দেন খামারি। পরে বিষ প্রয়োগকৃত পানিতে থাকা বিষাক্ত মাছ খেয়ে প্রায় ৩ শতাধিক হাঁস মারা যায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন খামারি শামসু মোল্লা।
স্থায়ীন এক নারী পারভীন আক্তার বলেন, আমার ২০টি হাঁস এই বিষ খেয়ে মারা গেছে। সকালে হাঁস ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর দেখি হাঁসগুলো শুয়ে প
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পুকুরে মাছ নিধনের জন্য বিষ প্রয়োগ করায় মো. শামসু মোল্লা নামে এক কৃষকের ৩ শতাধিক ক্যাম্বেল জাতের হাঁস মারা গেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মো. সাত্তার (৬০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত শামসু মোল্লা গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মান্নান ওরফে ঠান্ডুর লিজ নেওয়া মরা পদ্মার জলাশয়ে রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাছ ধরতে বিষ প্রয়োগ করেন কর্মচারী সাত্তার। কিন্তু পাশেই শামসু মোল্লার একটি হাঁসের খামার রয়েছে। রাতে মাছ নিধনে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করলে হাঁসের খামারের মালিককে জানানো হয়নি। মাছ ধরার বিষয়ে কোনো অবগত না করায় প্রতিদিনের মতো সকালে হাঁস ছেড়ে দেন খামারি। পরে বিষ প্রয়োগকৃত পানিতে থাকা বিষাক্ত মাছ খেয়ে প্রায় ৩ শতাধিক হাঁস মারা যায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন খামারি শামসু মোল্লা।
স্থায়ীন এক নারী পারভীন আক্তার বলেন, আমার ২০টি হাঁস এই বিষ খেয়ে মারা গেছে। সকালে হাঁস ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর দেখি হাঁসগুলো শুয়ে পড়ে আছে। ডিম দেওয়া হাঁসগুলোর মৃত্যুতে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।
ডালিয়া বেগম নামে অপর এক নারী বলেন, তারা পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মারবে এটা আমাদের জানালে হাঁসগুলো বেঁধে রাখতাম, এখন আমার হাঁসগুলো মারা গেছে এর ক্ষতিপূরণ কে দেবে?
অভিযুক্ত ছাত্তার মোবাইল ফোনে জানান, আমরা পুকুরে মাছ ধরার জন্য অক্সিজেন ব্যবহার করেছিলাম। সেটিতে কখনো হাঁস মারা যাওয়ার কথা না। হাঁসগুলো কিভাবে মারা গেল সেটি আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে হাঁসের মালিক সামসু মোল্লা আমাদের কোনো কিছু জানায়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নান ওরফে ঠান্ডু জানান, আমার পুকুর তো আমি দেখাশোনা করি না দেখাশোনা করে ছাত্তার। পুকুরে মাছ ধরার জন্য গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার করেছিল আরও দুদিন আগে। তার হাঁস মারা গিয়েছে কিভাবে তা তো আমি জানি না।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।