মাঝারি গরুর চড়া দাম, হতাশ ক্রেতারা
রাজধানীর পল্লবীর কালশী পশুর হাটে সকালে এক পশলা বৃষ্টির পর মঙ্গলবার (২৬ মে) ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। তবে হাটে গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বিক্রি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম বেশি চাওয়ায় অনেক ক্রেতাকেই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে দরকষাকষি। বিক্রেতারা বাড়তি খরচের কথা তুলে ধরে বেশি দাম চাইছেন, অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, আকার অনুযায়ী গরুর দাম অস্বাভাবিক বেশি। ফলে কোরবানির হাটে এখন এক ধরনের অপেক্ষার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে-ক্রেতারা অপেক্ষা করছেন দাম কমার, আর বিক্রেতারা শেষ মুহূর্তে বেশি দামে বিক্রির আশায় রয়েছেন। কালশী হাটে লাল রঙের একটি গরু নিয়ে দরদামের সময় দেখা যায়, বিক্রেতা মশিউর গরুটির দাম চাইছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার দাবি, গরুটিতে প্রায় ৮ মণ মাংস হবে। তবে ক্রেতা আসলাম বলছেন, গরুটিতে ৫ মণের বেশি মাংস হবে না। এ কারণে তিনি দাম বলেন ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। জবাবে মশিউর স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ২ লাখ টাকার নিচে কোনো দাম তিনি শুনবেন না। হাটে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মাঝারি আকারের গরু খুঁজছিলেন সরকারি চাকরিজীবী আসাদুল ইসলাম। তিনি বল
রাজধানীর পল্লবীর কালশী পশুর হাটে সকালে এক পশলা বৃষ্টির পর মঙ্গলবার (২৬ মে) ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে। তবে হাটে গরুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বিক্রি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম বেশি চাওয়ায় অনেক ক্রেতাকেই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে।
হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে দরকষাকষি। বিক্রেতারা বাড়তি খরচের কথা তুলে ধরে বেশি দাম চাইছেন, অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, আকার অনুযায়ী গরুর দাম অস্বাভাবিক বেশি। ফলে কোরবানির হাটে এখন এক ধরনের অপেক্ষার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে-ক্রেতারা অপেক্ষা করছেন দাম কমার, আর বিক্রেতারা শেষ মুহূর্তে বেশি দামে বিক্রির আশায় রয়েছেন।
কালশী হাটে লাল রঙের একটি গরু নিয়ে দরদামের সময় দেখা যায়, বিক্রেতা মশিউর গরুটির দাম চাইছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার দাবি, গরুটিতে প্রায় ৮ মণ মাংস হবে। তবে ক্রেতা আসলাম বলছেন, গরুটিতে ৫ মণের বেশি মাংস হবে না। এ কারণে তিনি দাম বলেন ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। জবাবে মশিউর স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ২ লাখ টাকার নিচে কোনো দাম তিনি শুনবেন না।
হাটে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে মাঝারি আকারের গরু খুঁজছিলেন সরকারি চাকরিজীবী আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, গরু পছন্দ হলেও দামে কুলাচ্ছে না। একটা গরুর জন্য ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা পর্যন্ত বলেছি, কিন্তু বিক্রেতা ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার নিচে ছাড়বেন না।
উত্তরা থেকে বন্ধুদের নিয়ে কালশী হাটে এসেছিলেন মতিন মিয়া। এখানে পছন্দমতো দামে গরু না পেয়ে তিনি গাবতলী হাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার ভাষ্য, এখানে মাঝারি গরুর দাম অনেক বেশি। একই ধরনের গরু গাবতলীতে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা কমে পাওয়া যেতে পারে।
পাবনা থেকে আসা বিক্রেতা মাছুম তিন মণ মাংস হবে এমন একটি গরুর দাম হাঁকছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। একই জেলার আরেক বিক্রেতা আমিন হক প্রায় একই ওজনের গরুর দাম চাইছেন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। দুজনই জানান, ক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম বলছেন না।
রাজবাড়ী থেকে আসা বিক্রেতা জাহিদ বলেন, বাজার গতকালের মতোই। ক্রেতা বেশি, কিন্তু বিক্রি কম। প্রতি গরুতে ক্রেতারা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কম বলছেন।
অন্যদিকে আনুমানিক ৬ মণ মাংস হবে এমন সাদা রঙের একটি গরুর দাম ২ লাখ টাকা চাইছেন বিক্রেতা আলম সরদার।
তিনি জানান, গরুটির দাম এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ভালো দামেই বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।
এসএম/এমআরএম
What's Your Reaction?