মাঝারি তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত যশোরের প্রাণ-প্রকৃতি
প্রায় দু’সপ্তাহের মৃদু তাপপ্রবাহের পর যশোরে শুরু হয়েছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। খরতাপে পুড়ছে জেলার প্রাণ-প্রকৃতি, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বুধবার (৩ জুন) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত কিছুদিন ধরেই যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এই অবস্থা আরও কয়েকদিন বিরাজ করতে পারে। যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার যশোর জেলায় সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গত প্রায় দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে দু-একদিন বৃষ্টি হলে সামান্য সময়ের জন্য তাপমাত্রা কমলেও তাতে পরিস্থিতির কোনো উত্তরণ হয়নি। এদিকে, যশোরে মাঝারি তাপপ্রবাহে পুড়ছে প্রাণ-প্রকৃতি। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ক্ষেতে মরুর মতো উত্তাপ বিরাজ করছে। ঘরের বাইরে বের হলেই গায়ে লাগছে আগুনঝরা তাপ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। তাপদাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে অনেক শ্রমজীবী মানুষ রাস্তার পাশে বিশ্রাম নিচ্ছেন। কে
প্রায় দু’সপ্তাহের মৃদু তাপপ্রবাহের পর যশোরে শুরু হয়েছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। খরতাপে পুড়ছে জেলার প্রাণ-প্রকৃতি, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বুধবার (৩ জুন) জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত কিছুদিন ধরেই যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এই অবস্থা আরও কয়েকদিন বিরাজ করতে পারে।
যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার যশোর জেলায় সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গত প্রায় দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যশোরে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে দু-একদিন বৃষ্টি হলে সামান্য সময়ের জন্য তাপমাত্রা কমলেও তাতে পরিস্থিতির কোনো উত্তরণ হয়নি।
এদিকে, যশোরে মাঝারি তাপপ্রবাহে পুড়ছে প্রাণ-প্রকৃতি। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ক্ষেতে মরুর মতো উত্তাপ বিরাজ করছে। ঘরের বাইরে বের হলেই গায়ে লাগছে আগুনঝরা তাপ। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। তাপদাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে অনেক শ্রমজীবী মানুষ রাস্তার পাশে বিশ্রাম নিচ্ছেন। কেউ হাতে-মুখে পানি দিয়ে শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ শরবত, আখের রস কিংবা স্যালাইন পানি পান করে গরমের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছেন।
যশোর শহরের লালদীঘিপাড়ে আখের রস বিক্রি করেন কালাম হোসেন। তিনি জানান, প্রচণ্ড গরমে অনেক মানুষ আসছে আখের রস খেতে। কিন্তু রস বিক্রি করতেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না। ছায়া খুঁজে দাঁড়িয়ে রস বিক্রি করতে হচ্ছে।
যশোর শহরের রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন, প্রচণ্ড গরমে গায়ে যেন আগুনের ধাক্কা লাগছে। একটু রিকশা চালালেই ঘামে গা ভিজে যাচ্ছে। গরমে মাথা ঘুরে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৩০ জুনে যশোরে ব্যারোমিটারের পারদ চড়েছিল ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর আগে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো ১৯৭২ সালে ১৮ মে। সেদিন রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মিলন রহমান/এনএইচআর/এমএস
What's Your Reaction?