মাঝ যমুনায় আততায়ীদের গুলিতে বালু মহালের ম্যানেজার নিহত

মানিকগঞ্জের মাঝ যমুনায় আততায়ীদের হামলা ও গুলিতে বালুমহালের দায়িত্বে থাকা এক ম্যানেজার নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার শিবালয় উপজেলার তেওতা বালুমহাল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় নিহত মিরাজ হোসেন (৪০) পাবনা জেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বালুমহালের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইফতেয়ার এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অপর আহত কাটারচালক জাহাঙ্গীর (২৮) দৌলতপুর উপজেলার ভাদুড়ি মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্পিডবোটযোগে একদল সশস্ত্র আততায়ী ঘটনাস্থলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ম্যানেজারকে কুপিয়ে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মিরাজ নিহত হন। জানা গেছে, বালুমহালের ইজারাদার কাওছার আলম খান (৩৬) এর আগে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টা ৯ মিনিটে একটি অজ্ঞাত বিদেশি নম্বর থেকে তার ব্যক্ত

মাঝ যমুনায় আততায়ীদের গুলিতে বালু মহালের ম্যানেজার নিহত

মানিকগঞ্জের মাঝ যমুনায় আততায়ীদের হামলা ও গুলিতে বালুমহালের দায়িত্বে থাকা এক ম্যানেজার নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলার শিবালয় উপজেলার তেওতা বালুমহাল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় নিহত মিরাজ হোসেন (৪০) পাবনা জেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বালুমহালের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইফতেয়ার এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অপর আহত কাটারচালক জাহাঙ্গীর (২৮) দৌলতপুর উপজেলার ভাদুড়ি মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্পিডবোটযোগে একদল সশস্ত্র আততায়ী ঘটনাস্থলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ম্যানেজারকে কুপিয়ে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মিরাজ নিহত হন।

জানা গেছে, বালুমহালের ইজারাদার কাওছার আলম খান (৩৬) এর আগে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৫টা ৯ মিনিটে একটি অজ্ঞাত বিদেশি নম্বর থেকে তার ব্যক্তিগত মোবাইলে হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় তেওতা চর থেকে বাল্কহেড জাহাজে বালি বিক্রি অব্যাহত রাখলে তাকে খুন-জখম করার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে কাওছার আলম খান পরদিন (২ এপ্রিল) শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এ বিষয়ে শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow