‘মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই’

মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সচিব প্রফেসর ড. একেএম শামছু উদ্দিন আজাদ। তিনি বলেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদন নয়, এটি প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্ববান ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। মাদক, মোবাইল গেমসসহ বিভিন্ন খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই, পড়ালেখার পাশাপাশি তারা সবাই যেন মাঠমুখী ও খেলাধুলায় মনোযোগী হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং সেটেলমেন্ট পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মেধা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমারের সভাপতিত্বে প্রথম পর্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল আরিফিন। ড. একেএম শামছু উদ্দিন আজাদ অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে দিলেই অভিভাবকদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে কি না সে বিষয়েও নিশ্চিত হতে হবে। পাশাপাশি শিক্

‘মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই’

মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সচিব প্রফেসর ড. একেএম শামছু উদ্দিন আজাদ।

তিনি বলেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদন নয়, এটি প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্ববান ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। মাদক, মোবাইল গেমসসহ বিভিন্ন খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই, পড়ালেখার পাশাপাশি তারা সবাই যেন মাঠমুখী ও খেলাধুলায় মনোযোগী হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং সেটেলমেন্ট পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মেধা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমারের সভাপতিত্বে প্রথম পর্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল আরিফিন।

ড. একেএম শামছু উদ্দিন আজাদ অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে দিলেই অভিভাবকদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে কি না সে বিষয়েও নিশ্চিত হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কোনো মতামত, প্রস্তাবনা থাকলে সে বিষয়ে সমন্বয় করতে হবে।

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্কুল ডায়েরিতে দৈনন্দিন পড়ালেখা দিয়ে দায় সারলে হবে না। তাদের কাছ থেকে পড়া আদায়ের পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হলে অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন। স্কুলে অনুপস্থিতির বিষয়ে অবশ্যই অভিভাবকরা শিক্ষকদের শরণাপন্ন হলে ছেলেমেয়েরা বিপথে যাওয়ার সুযোগ হবে না। গাইড বইয়ের ওপর নির্ভর না হয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক পড়ার জন্য উৎসাহিত করা প্রয়োজন। তাহলে ফেল করার প্রবণতা অনেক কমবে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন। এ সময় শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলের পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানি ক্রেস্ট দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow