মাদকসেবনের অপরাধে ৩ জনের কারাদণ্ড
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদকসেবন করে মাতলামি করা এবং পারিবারিক ও সামাজিক শান্তি বিনষ্টের অভিযোগে তিন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করার পর অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান। অভিযানকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের তেঁতাভূমি গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. রুবেল (৩৫), মালাপাড়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের মো. নসু মিয়ার ছেলে মাহফুজ (৪১) এবং মাধবপুর ইউনিয়নের মকিমপুর গ্রামের জহিরুল পাঠানের ছেলে জসিম পাঠান (৩৯)। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল, মাহফুজ ও জসিম পাঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন করে এলাকায় মাতলামি, পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসছিল। এসব
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদকসেবন করে মাতলামি করা এবং পারিবারিক ও সামাজিক শান্তি বিনষ্টের অভিযোগে তিন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক তিনটি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করার পর অপরাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান। অভিযানকালে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের তেঁতাভূমি গ্রামের মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. রুবেল (৩৫), মালাপাড়া ইউনিয়নের চান্দপাড়া গ্রামের মো. নসু মিয়ার ছেলে মাহফুজ (৪১) এবং মাধবপুর ইউনিয়নের মকিমপুর গ্রামের জহিরুল পাঠানের ছেলে জসিম পাঠান (৩৯)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত রুবেল, মাহফুজ ও জসিম পাঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন করে এলাকায় মাতলামি, পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরবর্তীতে আটককৃতরা আদালতের সামনে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করলে রুবেলকে ১৫ দিন, মাহফুজকে ৭ দিন এবং জসিম পাঠানকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পরপরই সাজাপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারেক রহমান বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। মাদকের করাল গ্রাস থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?