মাদক কারবারির অভিযোগে বাড়িতে স্থানীয়দের হামলা
কুড়িগ্রামের চিলমারীর রমনা ঘাট এলাকায় চিহ্নিত কয়েকজন মাদক কারবারির বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বুধবার (১৭ জুন) রাতে রমনা ইউনিয়নের পনতিপাড়া ও সরকারপাড়া এলাকার আড়াই থেকে তিন শতাধিক মানুষ এ ঘটনায় অংশ নেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারির অভিযোগে চিহ্নিত কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিলো। এর জেরে বুধবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা রমনা ঘাট এলাকার অন্তত সাতজনের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। যাদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন মুকুল মিয়া, তার ভাই মিঠু, রিপন মিয়া, আলম ভাটিয়া, আলী, ইমন মিয়া, জাহিদুল ও বাবু মিয়া। স্থানীয়দের দাবি, এর আগে অভিযুক্তদের মাদক কারবার বন্ধ করার জন্য একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা কার্যক্রম বন্ধ না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে দুই গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে এ হামলা চালায়। বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে জুয়েল রানা, সিফাত ও লিমন জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা এখন বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সময় আহত হয়েছেন রোকুনজ্জামান রানু, লিমন মিয়া, রুবেল মিয়া, মামুন মিয়া ও মাইদু
কুড়িগ্রামের চিলমারীর রমনা ঘাট এলাকায় চিহ্নিত কয়েকজন মাদক কারবারির বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
বুধবার (১৭ জুন) রাতে রমনা ইউনিয়নের পনতিপাড়া ও সরকারপাড়া এলাকার আড়াই থেকে তিন শতাধিক মানুষ এ ঘটনায় অংশ নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারির অভিযোগে চিহ্নিত কয়েকজনের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিলো। এর জেরে বুধবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা রমনা ঘাট এলাকার অন্তত সাতজনের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
যাদের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন মুকুল মিয়া, তার ভাই মিঠু, রিপন মিয়া, আলম ভাটিয়া, আলী, ইমন মিয়া, জাহিদুল ও বাবু মিয়া।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগে অভিযুক্তদের মাদক কারবার বন্ধ করার জন্য একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা কার্যক্রম বন্ধ না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে দুই গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে এ হামলা চালায়।
বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে জুয়েল রানা, সিফাত ও লিমন জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা এখন বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সময় আহত হয়েছেন রোকুনজ্জামান রানু, লিমন মিয়া, রুবেল মিয়া, মামুন মিয়া ও মাইদুল ইসলাম। পরে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার বলেন, ‘মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
রোকনুজ্জামান মানু/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?