মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে আটক
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার জন্য মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঘাতক ইখলাস উদ্দিনকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নিহত সখের বানু (৫৬) ঘাতক ইখলাস উদ্দিনের মা। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামের জেকোর আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে সখের বানুকে ভাত দেওয়ার জন্য তার ঘরে প্রবেশ করেন তার ছোট ছেলের স্ত্রী। এ সময় শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গৃহবধূ চিৎকার করে ওঠেন। এসময় আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সখের বানুকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। আরও পড়ুন ভৈরবে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে আটক খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ঘাতক ইখলাস উদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘাতক ইখলাস দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন করে আসছে। মাদক কেনার টাকা চাওয়া নিয়ে প্রায়ই তার মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হতো। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেও
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নেশার জন্য মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঘাতক ইখলাস উদ্দিনকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নিহত সখের বানু (৫৬) ঘাতক ইখলাস উদ্দিনের মা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামের জেকোর আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে সখের বানুকে ভাত দেওয়ার জন্য তার ঘরে প্রবেশ করেন তার ছোট ছেলের স্ত্রী। এ সময় শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গৃহবধূ চিৎকার করে ওঠেন। এসময় আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সখের বানুকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ঘাতক ইখলাস উদ্দিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘাতক ইখলাস দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন করে আসছে। মাদক কেনার টাকা চাওয়া নিয়ে প্রায়ই তার মায়ের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হতো। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতেও টাকার জন্য তার মাকে গালিগালাজ করে সে। আটক হওয়ার পরে ইখলাস প্রাথমিকভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিকভাবে মরদেহ দাফন করা হবে।
এম শাহাজান/এসজেডএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?
