মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় সৈকত নামের এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উত্তর নরসিংপুরের বক্তাবলী রোডে হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সৈকত (৭) গাইবান্ধার বাসিন্দা আঞ্জুর ছেলে এবং ফতুল্লার মাহমুদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। এর আগে, রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকে সৈকত নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান বলেন, মরদেহটি গলাকাটা কি না তা এখনো বলতে পারছি না। মরদেহ উপুড় হয়ে ছিল। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় সৈকত নামের এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উত্তর নরসিংপুরের বক্তাবলী রোডে হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সৈকত (৭) গাইবান্ধার বাসিন্দা আঞ্জুর ছেলে এবং ফতুল্লার মাহমুদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
এর আগে, রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকে সৈকত নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান বলেন, মরদেহটি গলাকাটা কি না তা এখনো বলতে পারছি না। মরদেহ উপুড় হয়ে ছিল। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
What's Your Reaction?