মাদ্রাসা ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে সংঘর্ষ, নিহত ১
ফরিদপুরে একটি মাদ্রাসার ছাত্রীদের বিরক্তের প্রতিবাদ করায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক যুবক নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবকের নাম সানি বেপারি (১৯)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় হজরত ফাতেমাতুজযহুরা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বেশ কিছুদিন ধরে একই এলাকার বশার মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর বিরক্ত করছিলেন। এর জেরে সোমবার সকালে মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি মনির বেপারি প্রতিবাদ করেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বশার মাতুব্বর, আলমগীর মাতুব্বর ও জাহাঙ্গীর মাতুব্বর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে মাদ্রাসার পক্ষ নেওয়া মনির বেপারি, সবুজ বেপারি ও পলাশগংদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষে জড়ায়।
এ সময় স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখা
ফরিদপুরে একটি মাদ্রাসার ছাত্রীদের বিরক্তের প্রতিবাদ করায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক যুবক নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবকের নাম সানি বেপারি (১৯)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় হজরত ফাতেমাতুজযহুরা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বেশ কিছুদিন ধরে একই এলাকার বশার মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর বিরক্ত করছিলেন। এর জেরে সোমবার সকালে মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি মনির বেপারি প্রতিবাদ করেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বশার মাতুব্বর, আলমগীর মাতুব্বর ও জাহাঙ্গীর মাতুব্বর পক্ষের লোকজনের সঙ্গে মাদ্রাসার পক্ষ নেওয়া মনির বেপারি, সবুজ বেপারি ও পলাশগংদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষে জড়ায়।
এ সময় স্থানীয় ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে আতিয়ার ব্যাপারীর ছেলে সানি ব্যাপারীকে (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো পক্ষ থানায় মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেনি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী সময়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।