মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আপন মামা-ভাগিনাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর গ্রামের মো. উজ্বল আহমেদের ছেলে মো. নাজমুল (২৫)। সে গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি এলাকার জনৈক শফিকুল ইসলামের ভাড়ির ভাড়াটিয়া। অপর অভিযুক্ত ভাগিনা শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের সাইটালিয়া গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে শাকিব (১৭)। জানা গেছে, ভুক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রী (১০) বাবা মায়ের সঙ্গে বসবাস করে। তার মা-বাবা দুজনেই গার্মেন্টসে চাকরি করেন। ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই গার্মেন্টসে চাকরি করি। বেশিরভাগ সময় মেয়ে একাই বাসায় থাকে। অভিযুক্তরা পাশেই ভাড়া থাকে। সুযোগ বুঝে আমার ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে। একজন চেপে ধরে সহযোগিতা করে। মেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের দুজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশু শিক্ষার্থীকে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আপন মামা-ভাগিনাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর গ্রামের মো. উজ্বল আহমেদের ছেলে মো. নাজমুল (২৫)। সে গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি এলাকার জনৈক শফিকুল ইসলামের ভাড়ির ভাড়াটিয়া। অপর অভিযুক্ত ভাগিনা শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের সাইটালিয়া গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে শাকিব (১৭)।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রী (১০) বাবা মায়ের সঙ্গে বসবাস করে। তার মা-বাবা দুজনেই গার্মেন্টসে চাকরি করেন।
ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই গার্মেন্টসে চাকরি করি। বেশিরভাগ সময় মেয়ে একাই বাসায় থাকে। অভিযুক্তরা পাশেই ভাড়া থাকে। সুযোগ বুঝে আমার ঘরে প্রবেশ করে মেয়ের সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে। একজন চেপে ধরে সহযোগিতা করে। মেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের দুজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নেয়।
শ্রীপুর থানার ওসি সঞ্জয় সাহা বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তারা দুজন সম্পর্কে আপন মামা ভাগিনা। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আটককৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?