মানবপাচার মামলায় শ্বশুর-পুত্রবধূ গ্রেফতার

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার আসামি শ্বশুর ও পুত্রবধূকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। পরে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে শিবচর উপজেলার পশ্চিম কাকৈর গ্রামের নিজবাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তানিয়া বেগম শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের পশ্চিম কাকৈর গ্রামের শীর্ষ মানবপাচারকারী সোবাহান মোল্লার স্ত্রী। অপর আসামি সালাম মোল্লা একই এলাকার আলী মোল্লার ছেলে। মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৮ লাখ টাকায় সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের রুহুল মাতুব্বরের ছেলে লিমন মাতুব্বরকে (২২) সরাসরি ইতালি নেওয়ার প্রলোভন দেখান শীর্ষ মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য সোবাহান মোল্লা ও তার লোকজন। পুরো ১৮ লাখ টাকা দেওয়া হলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইতালির উদ্দেশে রওয়ানা হন লিমন। প্রথমে তাকে সৌদি আরব নিয়ে যায় দালালচক্র। পরে সেখান থেকে তাকে লিবিয়ায় নিয়ে একটি বন্দিশালায় আটকে রাখে মাফিয়ারা। পরে নির্যাতন চালিয়ে পরিবার থেকে কয়েক দফায় মুক্তিপণ হিসেবে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দালালচক্র। এরপর আর কোনো হদিস নেই লিমনের। এ ঘট

মানবপাচার মামলায় শ্বশুর-পুত্রবধূ গ্রেফতার

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার আসামি শ্বশুর ও পুত্রবধূকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। পরে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে শিবচর উপজেলার পশ্চিম কাকৈর গ্রামের নিজবাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার তানিয়া বেগম শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের পশ্চিম কাকৈর গ্রামের শীর্ষ মানবপাচারকারী সোবাহান মোল্লার স্ত্রী। অপর আসামি সালাম মোল্লা একই এলাকার আলী মোল্লার ছেলে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৮ লাখ টাকায় সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের রুহুল মাতুব্বরের ছেলে লিমন মাতুব্বরকে (২২) সরাসরি ইতালি নেওয়ার প্রলোভন দেখান শীর্ষ মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য সোবাহান মোল্লা ও তার লোকজন। পুরো ১৮ লাখ টাকা দেওয়া হলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইতালির উদ্দেশে রওয়ানা হন লিমন। প্রথমে তাকে সৌদি আরব নিয়ে যায় দালালচক্র। পরে সেখান থেকে তাকে লিবিয়ায় নিয়ে একটি বন্দিশালায় আটকে রাখে মাফিয়ারা।

পরে নির্যাতন চালিয়ে পরিবার থেকে কয়েক দফায় মুক্তিপণ হিসেবে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে আরও ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় দালালচক্র। এরপর আর কোনো হদিস নেই লিমনের।

এ ঘটনায় ৭ এপ্রিল সদর উপজেলার পশ্চিম রাস্তি এলাকার শামীম মাতুব্বরের স্ত্রী ও ভুক্তভোগী লিমনের খালা মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে সোবাহান মোল্লা, তার বাবা সালাম ও সোবাহানের স্ত্রী তানিয়াসহ আটজনের নামে মানবপাচার আইনে মামলা করেন।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মানবপাচার মামলায় গ্রেফতার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow