মামলা করে নিয়োগ আটকানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মামলা করে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে দেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৯ মাসের পিটিআই ট্রেনিং, পিএসসির ব্যাকলগ কিংবা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিয়োগে সব জায়গায় মামলা দিয়ে স্থবিরতা তৈরি করা হচ্ছে। ১৫ হাজার শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পরও মামলা করে নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। একটি গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশনের কিছু লোক এই মামলার সঙ্গে জড়িত। আমি তাদের চিহ্নিত করছি। তিনি বলেন, যারা জাতি গঠনের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে, তারা রাষ্ট্রের শত্রু, দেশের শত্রু। এ বিষয়ে মহামান্য আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সরকারও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে। নকল প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, নকল এখন নেই, এটা আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু নকলের রূপ চেঞ্জ হয়েছে। করোনার মতো ভ্যারিয়েন্ট চেঞ্জ হয়েছে। সেজন্য আমরা ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্

মামলা করে নিয়োগ আটকানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মামলা করে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে দেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে চার শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৯ মাসের পিটিআই ট্রেনিং, পিএসসির ব্যাকলগ কিংবা এনটিআরসিএর শিক্ষক নিয়োগে সব জায়গায় মামলা দিয়ে স্থবিরতা তৈরি করা হচ্ছে। ১৫ হাজার শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পরও মামলা করে নিয়োগ আটকে দেওয়া হয়েছে। একটি গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশনের কিছু লোক এই মামলার সঙ্গে জড়িত। আমি তাদের চিহ্নিত করছি।

তিনি বলেন, যারা জাতি গঠনের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে, তারা রাষ্ট্রের শত্রু, দেশের শত্রু। এ বিষয়ে মহামান্য আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সরকারও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

নকল প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, নকল এখন নেই, এটা আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু নকলের রূপ চেঞ্জ হয়েছে। করোনার মতো ভ্যারিয়েন্ট চেঞ্জ হয়েছে। সেজন্য আমরা ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তন করেছি। কেবিনেট পাস করেছে, এবার সংসদে সেটা পাস হবে।

প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেল। একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী, তার বয়স ১৬ বছর। একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ককে (জুভেনাল) আমরা শাস্তি দিতে পারি না। আমরা তাকে প্রভিশনে পাঠাতে পারি, কিন্তু নকলটা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া গেল, প্রতিষ্ঠানপ্রধান রেসপন্সিবল। তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow