মার্কিন চুক্তি নিয়ে জবিতে বিতর্ক
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে মার্কিন চুক্তি বাতিলের পক্ষে-বিপক্ষে পলিসি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কের বিষয় ছিল ‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির সময়কালেই বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের উচিত মার্কিন চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল করা।’ বিতর্কে সরকারি দলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অংশ নেন ওমর ফাহমিদ খান। মন্ত্রী হিসেবে ছিলেন আমরিন বিনতে ইসলাম এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তাসমিয়া তাহমিদ আপন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের নেতা মার্জিয়া মিম, উপনেতা মাহমুদুল হাসান তুষার এবং সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান নাহিদ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেন। আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সই, শুল্ক কমেছে ১ শতাংশ বিতর্ক অনুষ্ঠানে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি জুলাই সনদের চেতনার পরিপন্থী। তবে এ বিষয়ে জুলাই সনদের সমর্থক রাজনৈতিক শক্তিগুলোর নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে মার্কিন চুক্তি বাতিলের পক্ষে-বিপক্ষে পলিসি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্কের বিষয় ছিল ‘ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির সময়কালেই বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের উচিত মার্কিন চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল করা।’
বিতর্কে সরকারি দলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অংশ নেন ওমর ফাহমিদ খান। মন্ত্রী হিসেবে ছিলেন আমরিন বিনতে ইসলাম এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তাসমিয়া তাহমিদ আপন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের নেতা মার্জিয়া মিম, উপনেতা মাহমুদুল হাসান তুষার এবং সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান নাহিদ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেন।
বিতর্ক অনুষ্ঠানে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি জুলাই সনদের চেতনার পরিপন্থী। তবে এ বিষয়ে জুলাই সনদের সমর্থক রাজনৈতিক শক্তিগুলোর নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্থানীয় শিল্পের জন্য হুমকি। চুক্তির ফলে ডেইরি, পোল্ট্রি ও অন্যান্য উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং চুক্তি বাতিলের দাবি জানান।
শিক্ষক, গবেষক ও বিতর্কের মডারেটর মাহা মীর্জা বলেন, চুক্তির বিভিন্ন ধারা বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি ও শিল্পখাতের জন্য ক্ষতিকর। গার্মেন্টস শিল্প রক্ষার যুক্তিতে করা এই চুক্তি বাস্তবে অন্যান্য খাতকে ঝুঁকিতে ফেলবে এবং দেশের নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতাও সংকুচিত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মাহতাব উদ্দীন আহমেদ এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ।
টিএইচকিউ/এমএমকে
What's Your Reaction?

