মার্কিন প্রেসিডেন্ট শিক্ষা অ্যাওয়ার্ড পেলেন ফেনীর মেয়ে সৈয়দা নুসরাত জাহান স্নেহা
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক বাংলাদেশি কিশোরী গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছেন। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নিজপানুয়া খন্দকার বাড়ির গর্বিত সন্তান সৈয়দা নুসরাত নিউইয়র্কের নলেজ অ্যান্ড পাওয়ার একাডেমি স্কুল থেকে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে অষ্টম গ্রেডে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ‘ভেলেডিক্টোরিয়ান’ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
একই সাথে স্কুলের সার্বিক কার্যক্রমে অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি প্রেসিডেন্ট, সিভিক অ্যাম্বাসেডর ও সিনেট অ্যাওয়ার্ডসহ মোট ৭টি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
নুসরাত নিউইয়র্কের সুপরিচিত কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, শিক্ষক, সাংবাদিক ও উপস্থাপক অধ্যাপক সৈয়দ আজাদ এবং জোবায়েদা জেসমিন সোহেলি দম্পতির ছোট মেয়ে। তার এই অসামান্য সাফল্যে নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ গভীর আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং নুসরাতকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা জানতে চাইলে মেধাবী শিক্ষার্থী সৈয়দা নুসরাত বলেন, আমি ভবিষ্যতে একজন আইনজীবী হয়ে দেশ এবং প্রবাসের অবহেলিত মানুষের সেবা করতে চাই। শুধু নিজের ভাগ্য পরিবর্তন নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের পিছিয়ে প
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক বাংলাদেশি কিশোরী গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছেন। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নিজপানুয়া খন্দকার বাড়ির গর্বিত সন্তান সৈয়দা নুসরাত নিউইয়র্কের নলেজ অ্যান্ড পাওয়ার একাডেমি স্কুল থেকে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে অষ্টম গ্রেডে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ‘ভেলেডিক্টোরিয়ান’ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
একই সাথে স্কুলের সার্বিক কার্যক্রমে অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি প্রেসিডেন্ট, সিভিক অ্যাম্বাসেডর ও সিনেট অ্যাওয়ার্ডসহ মোট ৭টি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
নুসরাত নিউইয়র্কের সুপরিচিত কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, শিক্ষক, সাংবাদিক ও উপস্থাপক অধ্যাপক সৈয়দ আজাদ এবং জোবায়েদা জেসমিন সোহেলি দম্পতির ছোট মেয়ে। তার এই অসামান্য সাফল্যে নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ গভীর আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং নুসরাতকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা জানতে চাইলে মেধাবী শিক্ষার্থী সৈয়দা নুসরাত বলেন, আমি ভবিষ্যতে একজন আইনজীবী হয়ে দেশ এবং প্রবাসের অবহেলিত মানুষের সেবা করতে চাই। শুধু নিজের ভাগ্য পরিবর্তন নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের পিছিয়ে পড়া মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। তার এই অদম্য পথচলা ও লক্ষ্য কেবল তার নিজের পরিবারের জন্যই নয়, বরং গোটা তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নুসরাতের মতো মেধাবীরাই আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।
মেয়ের এই অনন্য সাফল্যে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন বাবা সৈয়দ আজাদ। তিনি বলেন, আমার বড় মেয়ে সৈয়দা নূর-ই জান্নাতও আল্লাহর দেওয়া অসাধারণ মেধার অধিকারী এবং সেও এর আগে অনেক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। মূলত বড় বোনের সেই সাফল্য ও অনুপ্রেরণাই ছোট মেয়ের এই অর্জনের পথ সুগম করেছে। সৈয়দ আজাদ তাঁর দুই সন্তানের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন, যাতে তারা সুন্দর মানবিক গুণাবলি অর্জন করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করতে পারেন।