মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে খলিলুর রহমানের সাক্ষাৎ, সার্ক নিয়ে আলাপ
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন উভয় নেতা। মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতার ৬১তম বার্ষিকী উদ্যাপনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানী মালেতে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালেতে পৌঁছেই প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাক্ষাৎ এসময় তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর কাছে পৌঁছে দেন এবং গত ফেব্রুয়া
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন উভয় নেতা।
মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতার ৬১তম বার্ষিকী উদ্যাপনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানী মালেতে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।
রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালেতে পৌঁছেই প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাক্ষাৎ
এসময় তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর কাছে পৌঁছে দেন এবং গত ফেব্রুয়ারিতে নবনির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় সমর্থন দেওয়ায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
বৈঠকে খলিলুর রহমান বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে দৃঢ় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
দুই নেতা বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান উষ্ণ ও চমৎকার সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি উভয় দেশের জনগণের স্বার্থে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একমত হন। তারা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে মালদ্বীপে কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীদের অবদানের বিষয়ও উঠে আসে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মালদ্বীপের অর্থনীতিতে বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দেন।
সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী আলী ইহুসান এবং মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানে এক হাই-টি-এর আয়োজন করেন। এতে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হোসেন মোহাম্মদ লতিফ, দেশটির মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সন্ধ্যায় মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক কূটনৈতিক সংযোগ (ডিপ্লোম্যাটিক আউটরিচ) অনুষ্ঠানে যোগ দেন খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি মালদ্বীপে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এমইউ/একিউএফ
What's Your Reaction?
