মালয়েশিয়ায় এমবিএফের ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’

বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রবাসের মাটিতে জীবন্ত করে তুলতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের নারী কল্যাণ শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’। উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় গ্রামবাংলার উষ্ণ আবহ। ১ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সানওয়ে এলাকার স্টার কাবাব রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার, ডিফেন্স অ্যাডভাইজর, মিনিস্টার (লেবার), দূতালয় প্রধান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (বাণিজ্যিক)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, নারী কল্যাণ শাখার চেয়ারপার্সন বেদৌরা নাজনীন ঈষিতা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানস্থলটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী থিমে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়, যা অতিথিদের দৃষ্টি কাড়ে শুরু থেকেই। মেলায় বাহারি পিঠা-পুলির পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় নানা জনপ্রিয় বাংলাদেশি খাবার। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ কু

মালয়েশিয়ায় এমবিএফের ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’

বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে প্রবাসের মাটিতে জীবন্ত করে তুলতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশনের নারী কল্যাণ শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’। উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ছড়িয়ে দেয় গ্রামবাংলার উষ্ণ আবহ।

১ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার সানওয়ে এলাকার স্টার কাবাব রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী।

মালয়েশিয়ায় এমবিএফের ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার, ডিফেন্স অ্যাডভাইজর, মিনিস্টার (লেবার), দূতালয় প্রধান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (বাণিজ্যিক)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, নারী কল্যাণ শাখার চেয়ারপার্সন বেদৌরা নাজনীন ঈষিতা, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সাধারণ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানস্থলটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী থিমে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়, যা অতিথিদের দৃষ্টি কাড়ে শুরু থেকেই। মেলায় বাহারি পিঠা-পুলির পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় নানা জনপ্রিয় বাংলাদেশি খাবার। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ কুলায় পরিবেশিত পিঠা, যা অতিথিদের মাঝে আলাদা প্রশংসা কুড়ায়।

মালয়েশিয়ায় এমবিএফের ‘পিঠা-পুলির আনন্দমেলা’

এই আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসাকে আরও দৃঢ় করেছে এবং পারস্পরিক সামাজিক বন্ধনকে করেছে সুসংহত। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এমআরএম/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow