মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ৩০ অভিবাসী
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়ের (কেপিডিএন) যৌথভাবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সেলাঙ্গরের সেরি কেম্বাঙ্গানের ওয়ান সাউথ প্লাজা এলাকায় পরিচালিত ‘অপস লিটল মিডল ইস্ট’ নামের এ অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। জেআইএম এক বিবৃতিতে জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের স্পেশাল অ্যাকশন ব্রাঞ্চ ও এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ৫৩ কর্মকর্তা এবং কেপিডিএনের পাঁচজন কর্মকর্তা অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং এক সপ্তাহব্যাপী গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে ১৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রেস্তোরাঁ, খাদ্যের কিয়স্ক, বিক্রয়কেন্দ্র ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈধ অনুমতি ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল। তদন্তের অংশ হিসেবে মোট ৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ইয়েমেন, সোমালিয়া, আফগ
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়ের (কেপিডিএন) যৌথভাবে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সেলাঙ্গরের সেরি কেম্বাঙ্গানের ওয়ান সাউথ প্লাজা এলাকায় পরিচালিত ‘অপস লিটল মিডল ইস্ট’ নামের এ অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।
জেআইএম এক বিবৃতিতে জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের স্পেশাল অ্যাকশন ব্রাঞ্চ ও এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের ৫৩ কর্মকর্তা এবং কেপিডিএনের পাঁচজন কর্মকর্তা অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং এক সপ্তাহব্যাপী গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ১৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রেস্তোরাঁ, খাদ্যের কিয়স্ক, বিক্রয়কেন্দ্র ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বৈধ অনুমতি ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
তদন্তের অংশ হিসেবে মোট ৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ইয়েমেন, সোমালিয়া, আফগানিস্তান, ঘানা, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
জেআইএম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন এবং ইমিগ্রেশন বিধিমালার বিভিন্ন ধারায় অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা এবং পাস বা ভিসার অপব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
একই অভিযানে তদন্তে সহযোগিতার জন্য এক মালয়েশীয় নাগরিককে ফরম-২৯ সমন জারি করা হয়েছে। এছাড়া কেপিডিএন পরিদর্শনের সময় শনাক্ত হওয়া একটি অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিককে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও মুনাফাবিরোধী আইনে ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা করেছে।
আটক সব বিদেশি নাগরিককে পরবর্তী তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।
জেআইএম বলছে, অবৈধভাবে বসবাসকারী, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানকারী কিংবা সরকারের দেওয়া পাস সুবিধার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যেন অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, সুরক্ষা বা কর্মসংস্থান না দেয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
বিভাগটি আরও জানিয়েছে, অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি বা নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় ছাড়াই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একিউএফ/
What's Your Reaction?
