মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখাতে দুদকের আবেদন, ৯ এপ্রিল শুনানি

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে আগামী ৯ এপ্রিল শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মঈনুদ্দিন চৌধুরী আসামির উপস্থিতিতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ সংক্রান্ত আবেদনটি আদালতে দাখিল করে। দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ আবেদনটি করেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি। এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা একটি মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ওই মামলায় পুলিশের আবেদনের পর আদালত তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। সোমবার গভীর রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় তার বাসা থেকে তাকে আটক করে। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি ছাড়াও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় ৭ হাজার ১২৪ জনের কাছ থেকে অতির

মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখাতে দুদকের আবেদন, ৯ এপ্রিল শুনানি

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানোর বিষয়ে আগামী ৯ এপ্রিল শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মঈনুদ্দিন চৌধুরী আসামির উপস্থিতিতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ সংক্রান্ত আবেদনটি আদালতে দাখিল করে। দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ আবেদনটি করেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা একটি মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ওই মামলায় পুলিশের আবেদনের পর আদালত তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন।

সোমবার গভীর রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় তার বাসা থেকে তাকে আটক করে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি ছাড়াও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় ৭ হাজার ১২৪ জনের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ১১৯ কোটি টাকা। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, অভিযুক্তকে জামিন দিলে তিনি তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন বলে তারা উল্লেখ করেন।

এমডিএএ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow