মাসে ৫ দিনের বেশি কাজ করি না : রুনা খান
সমসাময়িক অনেক শিল্পী যখন কাজের ভিড়ে দম ফেলার সময় পান না, তখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান চলছেন উল্টো পথে। স্রোতে গা না ভাসিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তিনি মেনে চলছেন নিজের তৈরি করা এক অদ্ভুত নিয়ম। মাসে গড়ে মাত্র ৫ দিন কাজ করেন তিনি! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের এই কাজ ও জীবনদর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মিডিয়ায় কাজ করা এই অভিনেত্রী।
রুনা জানান, কোনো কিছুর প্রতিই তিনি খুব কট্টর বা উগ্র নন। বরং জীবনের প্রতিটি বাঁককে একটি জার্নি বা ভ্রমণ হিসেবে দেখতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
১৫ বছরের অলিখিত নিয়ম নিজের কাজের ধরন নিয়ে রুনা খান বলেন, ‘আমি মাসে গড়ে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করি না। ২০০৯ সালে বিয়ের পর সন্তানের জন্য তিন বছরের একটা বিরতি নিয়েছিলাম। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত বছরে মাত্র তিন থেকে ৪টি কাজ করি।’
গত দেড় দশক ধরে এই নিয়মেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় পার করলেও কাজের সংখ্যা নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। বরং কাজের সংখ্যার চেয়ে গুণগত মান এবং ব্যক্তিগত প্রশান্তিকেই তিনি সবসময় প্রাধান্য দিয়ে এসেছেন।
‘আমি একই জায়গায় আছি’ বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নয়নে ওটিটি প্ল্যা
সমসাময়িক অনেক শিল্পী যখন কাজের ভিড়ে দম ফেলার সময় পান না, তখন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান চলছেন উল্টো পথে। স্রোতে গা না ভাসিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তিনি মেনে চলছেন নিজের তৈরি করা এক অদ্ভুত নিয়ম। মাসে গড়ে মাত্র ৫ দিন কাজ করেন তিনি! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের এই কাজ ও জীবনদর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মিডিয়ায় কাজ করা এই অভিনেত্রী।
রুনা জানান, কোনো কিছুর প্রতিই তিনি খুব কট্টর বা উগ্র নন। বরং জীবনের প্রতিটি বাঁককে একটি জার্নি বা ভ্রমণ হিসেবে দেখতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
১৫ বছরের অলিখিত নিয়ম নিজের কাজের ধরন নিয়ে রুনা খান বলেন, ‘আমি মাসে গড়ে পাঁচ দিনের বেশি কাজ করি না। ২০০৯ সালে বিয়ের পর সন্তানের জন্য তিন বছরের একটা বিরতি নিয়েছিলাম। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত বছরে মাত্র তিন থেকে ৪টি কাজ করি।’
গত দেড় দশক ধরে এই নিয়মেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় পার করলেও কাজের সংখ্যা নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। বরং কাজের সংখ্যার চেয়ে গুণগত মান এবং ব্যক্তিগত প্রশান্তিকেই তিনি সবসময় প্রাধান্য দিয়ে এসেছেন।
‘আমি একই জায়গায় আছি’ বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নয়নে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জোয়ারে কাজের প্রচার ও প্রসার বাড়লেও রুনা খান নিজের অবস্থানে স্থির। তিনি বলেন, ‘১০ বছর আগেও আমি বছরে ৪-৫টি কাজ করতাম, এখনো তাই করছি। আমি একই জায়গায় আছি। আমার কাছে জীবন মানে পথ চলতে পারাটাই বড় কথা।’
সমালোচকদের প্রতি বার্তা ব্যক্তি রুনা খান জীবনকে দেখেন খুব সহজভাবে। নেতিবাচকতা বা কট্টর সমালোচনা তাকে স্পর্শ করে না। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আমি কোনো কিছুরই খুব কট্টর সমালোচক নই। জীবনের সবকিছুই আপেক্ষিক। যেকোনো নতুন চেষ্টাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি। কারো ভালো লাগবে, আবার কারো লাগবে না—এটাই স্বাভাবিক। আমাদের উচিত সবকিছু আর একটু সহজ করে দেখা।’
ওটিটিতে জয়জয়কার উল্লেখ্য, বাছবিচার করে কাজ করা রুনা খান সাম্প্রতিক সময়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ‘মারকিউলিস’, ‘অসময়ের’ মতো ওয়েব কন্টেন্টে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অল্প কাজ করেও যে দর্শকের মনে স্থায়ী আসন গড়া যায়, রুনা খান যেন তারই প্রমাণ।