মা-বাবা ও ভাই হারানো শিশু রাফসান বেঁচে গেলো নানির বাসায় থাকায়
রাজধানীর উত্তরায় আবাসিক ভবনে আগুন লেগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন কাজী ফজলে রাব্বি (৩৯) এবং তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার (৩৭) ও শিশু সন্তান কাজী ফাইয়াজ রিশান (২)। তবে নানির বাসায় থাকায় বেঁচে গেছে তাদের বড় সন্তান কাজী রাফসান। নিহত আফরোজা কুমিল্লা সদরের নানুয়া দিঘিরপাড় এলাকার আমিরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর ভবনের পাঁচতলায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আফরোজাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। অন্যদিকে, ফজলে রাব্বি ও শিশু ফাইয়াজকে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। আফরোজার বোন আফরিন জাহান জানান, তার বোন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ছিলেন। আর ভগ্নিপতি ফজলে রাব্বি চাকরি করতেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডে। আফরিন বলেন, ‘দুলাভাই ও আপা দুজনই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই ছেলে উত্তরায় নানির বা
রাজধানীর উত্তরায় আবাসিক ভবনে আগুন লেগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন কাজী ফজলে রাব্বি (৩৯) এবং তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার (৩৭) ও শিশু সন্তান কাজী ফাইয়াজ রিশান (২)। তবে নানির বাসায় থাকায় বেঁচে গেছে তাদের বড় সন্তান কাজী রাফসান।
নিহত আফরোজা কুমিল্লা সদরের নানুয়া দিঘিরপাড় এলাকার আমিরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের ৩৪ নম্বর ভবনের পাঁচতলায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে আফরোজাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। অন্যদিকে, ফজলে রাব্বি ও শিশু ফাইয়াজকে উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
আফরোজার বোন আফরিন জাহান জানান, তার বোন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ছিলেন। আর ভগ্নিপতি ফজলে রাব্বি চাকরি করতেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডে।
আফরিন বলেন, ‘দুলাভাই ও আপা দুজনই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই ছেলে উত্তরায় নানির বাসায় থাকতো। শুক্রবার অফিস বন্ধের দিন হওয়ায় গতকাল রাতে ছোট ছেলেকে বাসায় নিয়ে যান আপা। আজ সকালে ওই বাসায় আগুনের ঘটনা শুনতে পেয়ে আমরা ছুটে যাই। পরে জানতে পারি দুলাভাই ফজলে রাব্বি ও তার ছেলে ফাইয়াজকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তারা মারা যায়। আমার বোন, দুলাভাই ও ভাগনে- কারও শরীর কোনো দগ্ধ হয়নি। তারা ধোঁয়াতে মারা গেছে।’
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, ‘উত্তরায় আগুনের ঘটনায় আমাদের এখানে আফরোজাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তার শরীরে কোনো পোড়া ক্ষত নেই। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
কেএজেডআইএ/একিউএফ/এমএস
What's Your Reaction?