মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টয়লেট নিয়ে বিড়ম্বনায় রোগীরা
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ডের অধিকাংশ শৌচাগার অচল হয়ে পড়েছে। এতে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ এখন চরমে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সংস্কারহীনতার এমন চিত্র দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশের ওয়ার্ড ভবনের নিচতলা থেকে শুরু করে চারতলা পর্যন্ত অধিকাংশ শৌচাগার কার্যত অচল। কোথাও ভাঙাচোরা অবস্থা, কোথাও দীর্ঘদিন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। আর সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, কয়েকটি শৌচাগারের ভেতর গজিয়ে উঠেছে বটগাছের চারা। যেন অবহেলার স্তূপের মাঝেই নীরবে বড় হচ্ছে একেকটি প্রশ্নচিহ্ন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা জানান, নিজ ওয়ার্ডের বাথরুম ব্যবহার করতে না পেরে তাদের অন্য পাশে যেতে হচ্ছে। অসুস্থ শরীরে দূরে গিয়ে বাথরুম ব্যবহার করা অনেকের জন্য হয়ে উঠেছে নতুন যন্ত্রণা। বিশেষ করে বয়স্ক ও শয্যাশায়ী রোগীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর। রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলেও মৌলিক সুবিধার অভাবে তারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দ্রুত শৌচাগারগুলো সংস্কার করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ডের অধিকাংশ শৌচাগার অচল হয়ে পড়েছে। এতে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ এখন চরমে। দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সংস্কারহীনতার এমন চিত্র দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশের ওয়ার্ড ভবনের নিচতলা থেকে শুরু করে চারতলা পর্যন্ত অধিকাংশ শৌচাগার কার্যত অচল। কোথাও ভাঙাচোরা অবস্থা, কোথাও দীর্ঘদিন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। আর সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়, কয়েকটি শৌচাগারের ভেতর গজিয়ে উঠেছে বটগাছের চারা। যেন অবহেলার স্তূপের মাঝেই নীরবে বড় হচ্ছে একেকটি প্রশ্নচিহ্ন।
হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা জানান, নিজ ওয়ার্ডের বাথরুম ব্যবহার করতে না পেরে তাদের অন্য পাশে যেতে হচ্ছে। অসুস্থ শরীরে দূরে গিয়ে বাথরুম ব্যবহার করা অনেকের জন্য হয়ে উঠেছে নতুন যন্ত্রণা। বিশেষ করে বয়স্ক ও শয্যাশায়ী রোগীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টকর।
রোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলেও মৌলিক সুবিধার অভাবে তারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দ্রুত শৌচাগারগুলো সংস্কার করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ কালবেলাকে বলেন, উপজেলার মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রের এমন চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। শুধু বাথরুম সংকট নয়, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের জেনারেটরও বিকল রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, এটি পুরো লাইনের সমস্যা হওয়ায় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। তবে এখনো কাজ শুরু না হওয়ার কারণ আমার জানা নেই।
তিনি আরও বলেন, রোগীদের সাময়িক সুবিধার জন্য বিকল্প শৌচাগার খোলা রাখা হয়েছে।
What's Your Reaction?