মুফতি আইনুল হক কাসেমির মুক্তি দাবি ছাত্র জমিয়তের
তরুণ লেখক মাওলানা আইনুল হক কাসেমিকে নিরপরাধ দাবি করে অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী ও সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির এ দাবি জানান। তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে মুফতি আইনুল হক কাসেমিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেপ্তার করে ১০০ দিনেরও অধিক সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে, যা ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। ছাত্র জমিয়তনেতারা দাবি করেন, দৈনিক প্রথম আলোর অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় তার কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই; এবং এর কেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো প্রমাণও নেই, বরং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ঘটনায় জড়ানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একজন নিরীহ, সম্মানিত ও দায়িত্বশীল আলেমকে এভাবে হয়রানি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার ওপর জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করে। ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে মুফতি আইনুল হক কা
তরুণ লেখক মাওলানা আইনুল হক কাসেমিকে নিরপরাধ দাবি করে অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী ও সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির এ দাবি জানান।
তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে মুফতি আইনুল হক কাসেমিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেপ্তার করে ১০০ দিনেরও অধিক সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে, যা ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।
ছাত্র জমিয়তনেতারা দাবি করেন, দৈনিক প্রথম আলোর অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় তার কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই; এবং এর কেন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো প্রমাণও নেই, বরং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ঘটনায় জড়ানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একজন নিরীহ, সম্মানিত ও দায়িত্বশীল আলেমকে এভাবে হয়রানি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার ওপর জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করে। ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে মুফতি আইনুল হক কাসেমির নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান নির্বাচিত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকার কর্মস্থল থেকে আইনুল হককে সাদা পোশাকে তুলে নেওয়া হয়। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার জেরে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
What's Your Reaction?