মেক্সিকোর জয়ে আনন্দ মিছিলে ‘দম বন্ধ’ হয়ে ৩ জনের মৃত্যু
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৪০ বছর পর জয় পেয়েছে মেক্সিকো। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলের ঐতিহাসিক জয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে আজটেকরা। ফুটবল দলের এমন ঐতিহাসিক অর্জনের পর পরই আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে মেক্সিকোবাসী। কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তেই রূপ নেয় বিষাদে।
রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে অতিরিক্ত ভিড় ও হুড়োহুড়ির মধ্যে ‘দম বন্ধ’ হয়ে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জয়ের পরপরই রাজধানীজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক উৎসব। হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী ‘অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স’ স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশে, বিশেষ করে পাসেও দে লা রেফর্মা এলাকার হামবুর্গো ও ল্যাঙ্কাস্টার স্ট্রিটে জড়ো হন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাতে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ এবং সংকীর্ণ এলাকায় মানুষের ঠেলাঠেলির কারণে কয়েকজন অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা তাদের হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী এবং ৪৪ ও ৪৮ বছর বয়সী দুই নারী-
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৪০ বছর পর জয় পেয়েছে মেক্সিকো। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলের ঐতিহাসিক জয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে আজটেকরা। ফুটবল দলের এমন ঐতিহাসিক অর্জনের পর পরই আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে মেক্সিকোবাসী। কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তেই রূপ নেয় বিষাদে।
রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে অতিরিক্ত ভিড় ও হুড়োহুড়ির মধ্যে ‘দম বন্ধ’ হয়ে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জয়ের পরপরই রাজধানীজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক উৎসব। হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী ‘অ্যাঞ্জেল অব ইনডিপেনডেন্স’ স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশে, বিশেষ করে পাসেও দে লা রেফর্মা এলাকার হামবুর্গো ও ল্যাঙ্কাস্টার স্ট্রিটে জড়ো হন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাতে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ এবং সংকীর্ণ এলাকায় মানুষের ঠেলাঠেলির কারণে কয়েকজন অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা তাদের হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী এবং ৪৪ ও ৪৮ বছর বয়সী দুই নারী-পুরুষ।
মেক্সিকো সিটির স্বাস্থ্য দপ্তর জানায়, প্রাথমিকভাবে দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও পরবর্তীতে আরও একজনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়। তাদের সবার ক্ষেত্রেই অ্যাসফিক্সিয়াবা শ্বাসরোধ মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উদযাপনের সময় পাসেও দে লা রেফর্মা ও আশপাশের সড়কগুলো যান চলাচলের জন্য বন্ধ ছিল। ফলে বিপুল মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং আতশবাজির শব্দ ও হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কেউ কেউ সরু রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি শুরু করলে পদদলনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবিতে দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে থাকা কয়েকজনকে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধারকর্মীরা ভিড় নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন।
মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তায় বলেন, বড় উৎসব বা জনসমাগমের সময় সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকা উচিত।
জানা গেছে, মেক্সিকোর জন্য এই জয় ছিল ঐতিহাসিক। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপ নকআউট পর্বে জয় পাওয়ায় দেশজুড়ে শুরু হয় অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস। শহরের হিসাব অনুযায়ী, এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ সেদিন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজয় উদযাপনে অংশ নেন।
তবে সেই আনন্দঘন মুহূর্তই শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় শোক ও আতঙ্কে। ফুটবল উৎসবের ভিড়ে প্রাণহানির এই ঘটনা মেক্সিকোর ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো।