মেঝেতে স্ত্রীর মরদেহ, বিছানায় পড়ে ছিলেন আহত সাংবাদিক

রাজশাহীতে রওশন আরা (৫০) নামের এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া কামালের (৫৫) স্ত্রী। কামাল নিজেও বাসায় আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক রওশন আরাকে মৃত ঘোষণা করেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর হড়গ্রাম বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গোলাম কিবরিয়া কামাল স্থানীয় ‘দৈনিক রাজশাহী সংবাদ’ এর উপ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিল্লাল উদ্দিন জানান, রওশন আরাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার গলায় কাপড় প্যাঁচানো ছিল, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সাংবাদিক কামাল মালিকের হাত ও পায়ে জখম রয়েছে এবং তিনি কীটনাশক পান করেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম বাসায় ছিলেন। প্রতিবেশীরা একসময় চিৎকার শুনলেও কিছুক্ষণ পর তা থেমে যায়। পরে তাদের মেয়ে বাইরে থেকে এসে দীর্ঘক্ষণ

মেঝেতে স্ত্রীর মরদেহ, বিছানায় পড়ে ছিলেন আহত সাংবাদিক

রাজশাহীতে রওশন আরা (৫০) নামের এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া কামালের (৫৫) স্ত্রী।

কামাল নিজেও বাসায় আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক রওশন আরাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর হড়গ্রাম বাজার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

গোলাম কিবরিয়া কামাল স্থানীয় ‘দৈনিক রাজশাহী সংবাদ’ এর উপ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিল্লাল উদ্দিন জানান, রওশন আরাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার গলায় কাপড় প্যাঁচানো ছিল, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাংবাদিক কামাল মালিকের হাত ও পায়ে জখম রয়েছে এবং তিনি কীটনাশক পান করেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম বাসায় ছিলেন। প্রতিবেশীরা একসময় চিৎকার শুনলেও কিছুক্ষণ পর তা থেমে যায়। পরে তাদের মেয়ে বাইরে থেকে এসে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙে মেঝেতে স্ত্রীর মরদেহ এবং বিছানায় স্বামীকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে।

স্বজনরা জানান, কামাল হোসেনের দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রী রেহেনা মেয়েসহ বগুড়ায় থাকেন। ছোট স্ত্রী রওশন আরাকে নিয়ে কামাল রাজশাহীতে থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ডাক বিভাগের অফিস সহকারী পদ থেকে অবসরে যান। পেনশনের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে মনোমালিন্য ও পারিবারিক কলহ চলছিল।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow