মেসিকে থামাতে একাধিক পরিকল্পনা সুইজারল্যান্ড কোচের

লিওনেল মেসি ফুটবল খেলা শুরুর পর থেকে বহু কোচ তাকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু তাদের প্রায় সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। মেসি তাদের পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিয়ে করেছেন গোল ও এসিস্ট। এবারের বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে আটকানোর নানা পরিকল্পনা করছে সুইজারল্যান্ড। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিন জানিয়েছেন, মেসিকে থামানোর জন্য তার দলের একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন বলেন, ‘মেসিকে কীভাবে থামানো যায়? প্রশ্নটা চমকপ্রদ, তাই না? আমাদের কাছে বেশ কয়েকটি সমাধান রয়েছে। আগামীকাল আমরা দল হিসেবে মাঠে নামব। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আমরা উঁচুতে উঠে প্রেসিং করার চেষ্টা করব। অনেক কথা বলা যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছুই মাঠে প্রমাণ করতে হবে। আর সে জন্য আমাদের পরিকল্পনা প্রস্তুত আছে।’ ৫১ বছর বয়সী ইয়াকিনের জন্য এটি হবে কোচ হিসেবে প্রথমবার মেসির বিপক্ষে ম্যাচ। খেলোয়াড়ি জীবনেও তার সঙ্গে মেসির কখনো মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়নি। কারণ ইয়াকিন ২০০৬ স

মেসিকে থামাতে একাধিক পরিকল্পনা সুইজারল্যান্ড কোচের

লিওনেল মেসি ফুটবল খেলা শুরুর পর থেকে বহু কোচ তাকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু তাদের প্রায় সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। মেসি তাদের পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিয়ে করেছেন গোল ও এসিস্ট।

এবারের বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে আটকানোর নানা পরিকল্পনা করছে সুইজারল্যান্ড।

২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিন জানিয়েছেন, মেসিকে থামানোর জন্য তার দলের একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন বলেন, ‘মেসিকে কীভাবে থামানো যায়? প্রশ্নটা চমকপ্রদ, তাই না? আমাদের কাছে বেশ কয়েকটি সমাধান রয়েছে। আগামীকাল আমরা দল হিসেবে মাঠে নামব। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আমরা উঁচুতে উঠে প্রেসিং করার চেষ্টা করব। অনেক কথা বলা যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছুই মাঠে প্রমাণ করতে হবে। আর সে জন্য আমাদের পরিকল্পনা প্রস্তুত আছে।’

৫১ বছর বয়সী ইয়াকিনের জন্য এটি হবে কোচ হিসেবে প্রথমবার মেসির বিপক্ষে ম্যাচ। খেলোয়াড়ি জীবনেও তার সঙ্গে মেসির কখনো মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ হয়নি। কারণ ইয়াকিন ২০০৬ সালে অবসর নেন, যখন মেসি তখনও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুতে ছিলেন এবং দুইজনের দল কখনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে একে অপরের বিপক্ষে পড়েনি।

এবারের বিশ্বকাপে মেসিকে থামানোর চ্যালেঞ্জই হতে যাচ্ছে ইয়াকিনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow