মেসিদের চাপে রেখেও গোল পেল না স্পেন, প্রথমার্ধ গোলশূন্য
বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি স্পেন। অন্যদিকে লিওনেল মেসিকে ঘিরে নিজেদের আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করলেও জমাট স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা। গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হলো প্রথমার্ধ। এর মধ্যে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সেন্টারব্যাক লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের স্বভাবসুলভ পাসিং ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। মাত্র পঞ্চম মিনিটেই বড় সুযোগ তৈরি করেন লামিনে ইয়ামাল। তার ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে দানি ওলমোর কাছে যায়। ওলমো আবার বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামালের শট যৌথভাবে রুখে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। প্রথম ১৫ মিনিটে স্পেনের আক্রমণের মূল ভরসা ছিল ডান প্রান্ত। ইয়ামাল ও পেদ্রো পোররোর সমন্বয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় লা রোজা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বারবার চেষ্টা করে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও নিকো গনসালেসের দিক দিয়ে আক্রমণ গড়তে। ১৭ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করে ফ্রি-কিক উপহার দেন আলেক্স বায়েনা। রদ্রিগো ডি পলের নেওয়
বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে খেললেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি স্পেন। অন্যদিকে লিওনেল মেসিকে ঘিরে নিজেদের আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করলেও জমাট স্প্যানিশ রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা। গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হলো প্রথমার্ধ। এর মধ্যে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সেন্টারব্যাক লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের স্বভাবসুলভ পাসিং ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। মাত্র পঞ্চম মিনিটেই বড় সুযোগ তৈরি করেন লামিনে ইয়ামাল। তার ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে দানি ওলমোর কাছে যায়। ওলমো আবার বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামালের শট যৌথভাবে রুখে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
প্রথম ১৫ মিনিটে স্পেনের আক্রমণের মূল ভরসা ছিল ডান প্রান্ত। ইয়ামাল ও পেদ্রো পোররোর সমন্বয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় লা রোজা। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা বারবার চেষ্টা করে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও নিকো গনসালেসের দিক দিয়ে আক্রমণ গড়তে।
১৭ মিনিটে লিওনেল মেসিকে ফাউল করে ফ্রি-কিক উপহার দেন আলেক্স বায়েনা। রদ্রিগো ডি পলের নেওয়া সেই ফ্রি-কিক থেকে ব্যাক পোস্টে ছুটে আসা নিকো গনসালেসকে খুঁজে পেলেও বল নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন তিনি।
২২ মিনিটে ম্যাচে প্রথমবারের মতো নিজের জাদু দেখান মেসি। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান নিকো গনসালেসের উদ্দেশে। তবে গনসালেসের দুর্বল প্রথম স্পর্শে সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ২৫ মিনিটে প্রথম কুলিং ব্রেকের জন্য খেলা থামান রেফারি।
পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম ২৫ মিনিটে দুই দল মিলিয়ে মাত্র একটি শট হয়, যা ১৯৬৬ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম ২৫ মিনিটে সর্বনিম্ন। একই সময়ে মেসি মাত্র দুইবার বল স্পর্শ করেন, যা তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের কোনো শুরুর একাদশে থাকা ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে সর্বনিম্ন।
কুলিং ব্রেকের পর আবারও আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় স্পেন। ৩৩ মিনিটে বায়েনার ক্রস রোমেরো ক্লিয়ার করলেও স্পেনের চাপ অব্যাহত থাকে। ৩৫ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের দারুণ পাসে বাম দিক দিয়ে উঠে আসেন মার্ক কুকুরেয়া। তবে তার ক্রস নির্দিষ্ট ঠিকানা খুঁজে পায়নি।
৩৭ মিনিটে গনসালো মনতিয়েলের দারুণ ট্যাকল আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উজ্জীবিত করে। কুকুরেয়াকে বলসহ থামিয়ে সম্ভাবনাময় আক্রমণ নষ্ট করেন তিনি।
৩৯ মিনিটে ম্যাচের অন্যতম সেরা সুযোগ পায় স্পেন। লাপোর্তে, রদ্রি ও বায়েনার দারুণ সমন্বয়ের পর ফাবিয়ান রুইজ বল বাড়িয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবালের কাছে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার জোরালো বাঁ-পায়ের শট দারুণ দক্ষতায় নিচু হয়ে ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
৪১ মিনিটে বিপজ্জনক পাল্টা আক্রমণ থামাতে গিয়ে ওইয়ারসাবালকে ফাউল করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন এই ডিফেন্ডার। তবে সেই চ্যালেঞ্জেই চোট পান তিনি। চিকিৎসার পরও খেলা চালিয়ে যেতে না পারায় ৪৪ মিনিটে তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে কুকুরেয়াও দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করেছিলেন। তবে তার বাঁ-পায়ের প্রচেষ্টা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
গোলশূন্য অবস্থায় বিরতির পথে এগোলেও ম্যাচে বলের দখল, আক্রমণ ও সুযোগ তৈরিতে কিছুটা এগিয়ে ছিল স্পেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা এখনো অপেক্ষায় লিওনেল মেসির জাদুকরী কোনো মুহূর্তের, যা বদলে দিতে পারে বিশ্বকাপ ফাইনালের ভাগ্য।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?