‘মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে’

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।  শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোংলায় পৌঁছে বন্দরের সভাকক্ষে বন্দরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন মন্ত্রী।   পরে বন্দর জেটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।  এ সময় নৌপরিবহন, সড়ক, সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, অতীত সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে হওয়া মোংলা বন্দরের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে চুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থ ও বন্দরের স্বার্থ ঠিক রেখে যাচাইবাচাই করে সব চুক্তি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুততম সময়ে মোংলা- খুলনা রুটে রেল গাড়ি বাড়ানো হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং রেলপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগসহ অন্যা

‘মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে’

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোংলায় পৌঁছে বন্দরের সভাকক্ষে বন্দরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন মন্ত্রী।  

পরে বন্দর জেটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। 
এ সময় নৌপরিবহন, সড়ক, সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, অতীত সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে হওয়া মোংলা বন্দরের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে চুক্তি রয়েছে।
বাংলাদেশের স্বার্থ ও বন্দরের স্বার্থ ঠিক রেখে যাচাইবাচাই করে সব চুক্তি খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুততম সময়ে মোংলা- খুলনা রুটে রেল গাড়ি বাড়ানো হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং রেলপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগসহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


অন্যদের মধ্যে মোংলা বন্দরের সদস্য ( হারবার ও মেরিন) শফিকুল ইসলাম সরকার, কাজী  আবেদ হোসেন (যুগ্মসচিব), সদস্য (অর্থ) ও পরিচালক (প্রশাসন), ড. আনিসুর রহমান (যুগ্মসচিব), সদস্য ( প্রকৌশল ও উন্নয়ন), কালাচাঁদ সিংহ (যুগ্মসচিব), পরিচালক (বোর্ড) ও পরিচালক ( ট্র্যাফিক) মো. কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow