মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় মেয়েকে ধর্ষণ অভিযোগ দেওয়ায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে সয়ফুল্লাহ পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানায়, নিহত কলিম উল্লাহর এক মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদের (১৮) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশ হলেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় শনিবার সকালে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দেন কলিম উল্লাহ। অভিযোগ পাওয়ার পর গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাৎক্ষণিকভাবে জুবের আহমদেকে আটকের জন্য পাঠান। সেখানে পৌছে পুলিশ জানতে পারে জুবের হাওরে ক্ষেতে কাজ করছেন। পরে কলিম উল্লাহ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে হাওরের দিকে রওনা হন। এ সময় ধারালো অস্ত্রহাতে পিছন থেকে দৌড়ে গিয়ে সয়ফুল্লাহ এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকেন। এতে উপর্যপুরি আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কলিম উল্লাহ। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গোয়াইনঘাট থানার

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যা

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় মেয়েকে ধর্ষণ অভিযোগ দেওয়ায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে সয়ফুল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহত কলিম উল্লাহর এক মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদের (১৮) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশ হলেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় শনিবার সকালে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দেন কলিম উল্লাহ।

অভিযোগ পাওয়ার পর গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাৎক্ষণিকভাবে জুবের আহমদেকে আটকের জন্য পাঠান। সেখানে পৌছে পুলিশ জানতে পারে জুবের হাওরে ক্ষেতে কাজ করছেন। পরে কলিম উল্লাহ পুলিশ সদস্যদের নিয়ে হাওরের দিকে রওনা হন। এ সময় ধারালো অস্ত্রহাতে পিছন থেকে দৌড়ে গিয়ে সয়ফুল্লাহ এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকেন। এতে উপর্যপুরি আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কলিম উল্লাহ। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক মোড়ল জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সয়ফুল্লাহর ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়েছে।

আহমেদ জামিল/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow