মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে আগ্রাসনের ‘ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেবে ইরান
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ যুদ্ধ প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে ‘নির্ণায়ক ও ধ্বংসাত্মক’ প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের ‘ইরান আর্মি ডে’ উপলক্ষে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই তথ্য জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের সময় ইরানের সেনাবাহিনীর উচ্চ প্রস্তুতি ও কার্যকর সমন্বয়ের কারণেই শত্রুপক্ষ তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, স্থল ও নৌ অভিযান, এমনকি পারস্য উপসাগরের দ্বীপ দখলের মতো পরিকল্পনাও ইরানি বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে ভেস্তে যায়। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং ওমান সাগরে নজরদারি ও আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি ঐক্যবদ্ধভাবে এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নীরব থাকলেও সম্পূর্ণ প্রস্ত
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ যুদ্ধ প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে ‘নির্ণায়ক ও ধ্বংসাত্মক’ প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের ‘ইরান আর্মি ডে’ উপলক্ষে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই তথ্য জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের সময় ইরানের সেনাবাহিনীর উচ্চ প্রস্তুতি ও কার্যকর সমন্বয়ের কারণেই শত্রুপক্ষ তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, স্থল ও নৌ অভিযান, এমনকি পারস্য উপসাগরের দ্বীপ দখলের মতো পরিকল্পনাও ইরানি বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে ভেস্তে যায়।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা এবং ওমান সাগরে নজরদারি ও আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনার কথাও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, ইরানের সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি ঐক্যবদ্ধভাবে এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নীরব থাকলেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
শেষে সতর্ক করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বা তাদের মিত্রদের যেকোনো ‘বোকামি’ পদক্ষেপের জবাবে ইরান কঠোর আঘাত হানতে প্রস্তুত।
এমএমকে
What's Your Reaction?